Connect with us

উত্তর-পূর্ব

বাণিজ্যে উত্তর পূর্বাঞ্চলকে পথ দেখাবে ত্রিপুরা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

Published

on

আগরতলা : আজ সন্ধ্যায় বনমালীপুর কেন্দ্রের অন্তর্গত মন্ডল কার্যালয়ের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন আসলেই আমরা জনগণের কাছে যাব এমনটা আমাদের সংস্কৃতি নয়। আমরা সর্বদা মানুষের সঙ্গে থাকি l জনসম্পর্ক বজায় রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য l

ভারতীয় জনতা পার্টি সবকা সাথ সবকা বিকাশে বিশ্বাসী। এর পর মহাত্মাগান্ধী মেমোরিয়াল স্কুলে আয়োজিত সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী l তিনি বলেন, বনমালীপুর কেন্দ্রের মানুষের আশীর্বাদে ত্রিপুরাবাসীর সর্বাঙ্গীন কল্যানের মাধ্যমে মোদীজির বিকাশের ধারার সাথে যুক্ত করার সুযোগ পেয়েছি l

উত্তর পূর্বাঞ্চলের বাণিজ্যক হাব হতে চলেছে ত্রিপুরা l সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরকারি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার মাধ্যমে রোজগারের সুযোগ তৈরী হয়েছে l চাঁদা ও কমিশন বাণিজ্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন রাজ্যের মানুষ l একজন ব্যক্তি তাঁর জীবনের অর্জিত সমস্ত অর্থ ব্যায় করে জমি কিনতে এখন কমিশন দিতে হয়না l

রাজস্ব দপ্তর সহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে l ক্ষমতার পরিবর্তনেই সুন্তুষ্ট থাকা নয়, এর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনই আমাদের অন্যতম লক্ষ l আপনাদের পাশে আমি রয়েছি l বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ বা নানান প্রকল্পের সুফল সহ সমস্ত ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার লক্ষ্যে জন কল্যানে অঙ্গীকারব্ধ হয়ে আমরা কাজ করসি l দল মত নির্বিশেষে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় সমস্ত প্রকৃত সুবিধাভোগীদের ঘর দেওয়া হবে l একজনও বঞ্চিত হবেন না l নিবিড় জন সগযোগের মাধ্যমে আমাদের এই নীতিগত দিকটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে l ইতিবাচক ভাবনা আমাদের সমৃদ্ধির পথকে মসৃন করে l ভাবনার পথেই, আমাদের জীবন ধাবিত হয় l

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত দিনে ভারতীয় জনতা পার্টির ১১ জন সহজ সরল কর্যকর্তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন l স্থায়ী রোজগারের সুযোগ সহ বিভিন্নভাবে আমরা সেই পরিবারের পাশে দাঁড়িছি l যাদের দলীয় কার্যালয়ের পেছনে নির্বাচনের সময়ে মাটি খুঁড়ে রাখা হয়েছিল আর যারা ত্রিপুরায় এসে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন l

সেই রাজ্যে কোভিড টিকাকরণ সহ উন্নয়নের প্রশ্নে অনেক ক্ষেত্রেই ত্রিপুরা থেকে পিছিয়ে l আইন শৃঙ্গখলা সহ সমস্ত ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রশ্নে সাফল্য এসেছে l স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের উন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনা বাস্তবানের লক্ষ্যে কাজ চলছে l স্বাস্থ্য ও পর্যটন হাব স্থাপনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে l সঠিক নিকাশি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘক্ষন জল জমাট বাঁধা থেকে অনেকঅংশে মুক্তি মিলেছে l উন্নত নগরায়ন সহ আরও উন্নত পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ চলছে l এদিনের কর্মসূচিতে মন্ডল এলাকার প্রচুর কর্যকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন l

মুখ্যমন্ত্রীর তাঁর সামাজিক মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীর কথা উল্লেখ করে জানান, বিলোনিয়া বরজ কলোনীর পঞ্চম শ্রেণীতে পাঠরতা প্রাপ্তি মজুমদার l দলীয় কর্মসূচিতে যোগদানের পথে চোঁখ পড়তেই দেখি, বিষন্নতার সঙ্গে ব্যাকুল নয়নে তাকিয়ে এক ছোট্ট মেয়ে l কৌতূহলবসত কাছে ডাকতেই, ফুল্গধারার মত বেড়িয়ে এলো তাঁর মনে জমাট বেঁধে থাকা প্রত্যাশা l আর পাঁচটা বাচ্চার মত দামি খেলনা বা টেডিবিয়ার চাইনা তাঁর l অকপটে জানালো, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত পেশায় রং মিস্ত্রি তাঁর বাবা (সঞ্জয় মজুমদার) কে সুস্থ করে তোলার কথা l

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বাবার সুস্থতার লক্ষ্যে রাজ্যে উপলব্ধ চিকিৎসার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি তাকে অবগত করতেই, নিমিষেই তাঁর মুখে এক ফালি হাঁসি l তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্থায়ী হোক প্রাপ্তির মুখের এই হাঁসি l রাজ্যের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগে ও ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের কৃপায় দ্রুত সুস্থ উঠুন তাঁর বাবা l তাঁর উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ আগামী কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী l অন্য একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আত্মনির্ভ ও সমৃদ্ধ ত্রিপুরা নির্মাণের লক্ষ্যে আমাদের বপন করা স্বনির্ভরতার বীজ ক্রমেই রাজ্যে মহিরুহের রূপ নিচ্ছে l অর্ধেক আকাশের দাবিদারদের ক্ষমতায়ন ব্যতিরেকে আত্মনির্ভর প্রদেশ নির্মাণ সম্ভব নয় l পুরুষদের সঙ্গে মহিলারাও উদ্ভাবনী ও সম্ভবনাময় দিকগুলির বিকাশের সুযোগের ফলে মহিলা সশক্তিকরণ ও ক্ষতায়নের মাধ্যমে রোজগারের নানান দিক উন্মোচিত হচ্ছে l

তিনটি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান, বিলোনিয়া বড়পাথরীর কৃষক পরিবারের এক বোন, বিলোনিয়া বিদ্যাপীঠ বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী বৈশাখী সরকার ডট পেন দিয়ে তাঁর আঁকা আমার একটি পোট্রেট ছবি হাতে তুলে দেয় l বনমালীপুরে দলীয় কার্যক্রমে আমার বেশ কয়েকজন বোনেরা স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে তাদের প্রস্তুত করা পোশাক আমার হাতে তুলে দিয়ে তাদের উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন l

বিলোনিয়া রাজনগরে সংগঠনিক কার্যক্রমে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা বেশ কয়েকজন খুদেরা ক্রীড়া ক্ষেত্রে তাদের সাফল্য ও আগামীর প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে l আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই l মহিলাদের সম্ভাবনাময়দিক গুলির বিকাশের সুযোগ, সুরক্ষিত পরিবেশ ও সরোজগারী করে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগ ও স্বদিচ্ছার কথা জানান তিনি l

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending