Connect with us

পশ্চিমবঙ্গ

ভোট লুঠ না হলে উপনির্বাচনে জিতবে বিজেপি, দাবি বাংলার গোয়েন্দার

Published

on

Agnimitra Anupam

কলকাতা: মাস ঘুরলেই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। একটি লোকসভা কেন্দ্র এবং একটি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে সেই নির্বাচন। সুস্থ উপায়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে জনতার রায় যাবে বিজেপির পক্ষে। আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির জয় নিশ্চিত। বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটিও পদ্ম শিবিরের পক্ষ দখল করা অসম্ভব হবে না। এমনই দাবি করেছেন রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিক।

ওই গোয়েন্দার বক্তব্য ফাঁস করেছেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা। তিনি দাবি করেছেন যে রবিবার সকালেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন গোয়েন্দা বিভাগের ওই আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। যদিও আধিকারিকের নাম উল্লেখ করননি অনুপম। ওই আধিকারিক নাকি জানিয়েছেন যে যদি ভোট লুট না হয় অর্থাৎ মানুষ যদি নিজের ভোট নিজে দিতে পারে, তাহলে নিশ্চিতভাবে আসানসোল আসনটি বিজেপি জিতছে। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়ের পূর্বতন কীর্তির কারণে ওই আসনে পরাস্ত হতে পারে ঘাস ফুল।

এই সমগ্র বিষয়টি নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে তুলে ধরেছেন প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা। তিনি লিখেছেন-

“আজ সকালে কিছুক্ষণ আগে West Bengal IB Department অর্থাৎ যে Department টি সম্পূর্ণভাবে রাজ্যের শাসকদলের নিয়ন্ত্রণে, সেই Department’এর one of the Senior most Officer’এর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আধিকারিক’এর নাম উল্লেখ করছি না, কারন নাম বললে হয়তো পরের দিন তাঁর transfer হয়ে যেতে পারে অন্য Department’এ…বা হয়তো তাঁর চাকরিটাও চলে যেতে পারে “তাঁর অনুপ্রেরণায়”… …তো সেই সিনিয়র অফিসারের report বা prediction অনুযায়ী – যদি ভোট লুট না হয় অর্থাৎ মানুষ যদি নিজের ভোট নিজে দিতে পারে… …তাহলে, নিশ্চিতভাবে আসানসোল seat বিজেপি জিতছে কারণ, আসানসোলের মানুষের তথা আসানসোলের আদি এবং স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের – already তিনবার দল change করা কোন “বহিরাগত” plus “বিহারী” প্রার্থী’কে মন থেকে মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম… …এবং বালিগঞ্জে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, কারণ বালিগঞ্জে যে বিশেষ সম্প্রদায়ের উপর ভর করে তৃণমূল বালিগঞ্জ seat জেতার স্বপ্ন দেখছে, সেই বিশেষ সম্প্রদায় এবং বালিগঞ্জের তৃণমূল সমর্থকরা “Mr. এই তৃণমূল আর না” কে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারছে না; এক সময় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সেজে মুসলমান সম্প্রদায় কে গালিগালাজ করা মানুষটি’র হঠাৎ করে ফেজ টুপি পড়ে বালিগঞ্জের মুসলিম সম্প্রদায়কে টুপি পরানোর প্রচেষ্টা’কে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন মোটেও ভালোভাবে গ্রহণ করে নি !!! তাই সকলকে অনুরোধ, নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, আসানসোল এবং বালিগঞ্জ থেকে যথাক্রমে শ্রীমতি অগ্নিমিত্রা পাল এবং শ্রীমতি কেয়া ঘোষ কে জয়যুক্ত করুন !!!”

জাতীয়

উপাচার্যকে গালি তৃণমূলের, বিক্ষোভে বিজেপি

Published

on

By

Aliah University

কলকাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে মা তুলে অশ্রাব্য গালি তৃণমূলের ছাত্রনেতার। সেই সঙ্গে হত্যার হুমকি দেওয়া হল ওই উপাচার্যকে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নিয়ে। অভিযুক্ত যুবক এখন আর দলে নেই বলে দায় এড়াল তৃণমূল।

চেয়ারে বসে রয়েছেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহম্মদ আলি। তাঁকে ঘিরে রয়েছে জনা কয়েক বিক্ষুব্ধ ছাত্র। যারা অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করে চলেছে উপাচার্যকে। যাদের নেতৃত্বে রয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা গিয়াসুদ্দিন মন্ডল। প্রথমে চড় মারার হুমকি, তারপরে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হল। ফোন আটকে রেখে ছাত্রদের পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তুলল ওই ছাত্ররা।

শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী বিজেপি। রবিবার সকালে উপাচার্যের হেনস্থার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেই বিক্ষোভ থেকে দাবি উঠল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের। সেই সঙ্গে আচার্য হিসেবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপ করার দাবিও তুললেন বিজেপি হুগলী জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার।

অভিযুক্ত গিয়াসুদ্দিনের সঙ্গে এখন সংগঠনের আর কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গিয়াসুদ্দিনের ওই কীর্তিকে দল সমর্থন করে না বলেও দাবি করেছে ঘাস ফুল শিবির। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য ফেসবুকের দেওয়ালে লিখেছেন, “ভিডিওটা দেখে গা গুলিয়ে উঠল। বমি পাচ্ছে! আসে পাশে গভীর পচন ধরেছে। শিক্ষাগুরু সম্পর্কে এমন ভাষা! কল্পনাও কি করা যায়? ছিঃ! অনতিবিলম্বে শিক্ষক, শিক্ষিকাদের হাতে লাঠি, বেত ফিরে আসা খুব প্রয়োজন…”

Continue Reading

ত্রিপুরা

ত্রিপুরার কায়দায় বঙ্গ জয়ের ভাবনা বিজেপির

Published

on

By

Biplab Sunil

কলকাতা: আশা জুগিয়েও অধরা থেকে গিয়েছে বিজেপির বঙ্গ বিজয়। যার জেরে ভঙ্গুর হয়েছে সংগঠন। এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়াতে ত্রিপুরা মডেলকে হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড। পশ্চিমবঙ্গে দলের পর্যবেক্ষক করা হতে পারে সুনীল দেওধরকে। এমনই গুঞ্জন ছড়িয়েছে মুরলী ধর সেন লেনের অন্দরে।

সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে সুনীল দেওধরকে। বাংলা ভাষায় দক্ষ ত্রিপুরা জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি দেওধরের উপরই আগামী দিনে বাংলায় দলের স্বাস্থ্য ফেরাতে ভরসা রাখতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলের একটা বড় অংশ চাইছেন, বাংলা বোঝেন, বাংলায় কথা বলতে পারেন ও দক্ষ সংগঠক এরকম কাউকে দায়িত্বে নিয়ে আসার। আর তাই আলোচনায় উঠে এসেছে সুনীল দেওধরের নাম। মুরলী ধর সেন লেনেরও প্রথম পছন্দ সুনীল দেওধরকে।

২০১৮ সালে ত্রিপুরার ক্ষমতা দখল করে ভারতীয় জনতা পার্টি। অবসান ঘটে ২৫ বছরের বাম শাসনের। গেরুয়া শিবিরের সেই সাফল্যের কাণ্ডারি ছিলেন এই সুনীল দেওধর। বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায় তাঁর রণকোশলে এসেছিল সাফল্য। এছাড়াও বাঙালি ভোটারের আধিক্য থাকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারানসীর নির্বাচন প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন বিজেপির এই নেতা। তাই অভিজ্ঞ এবং বাংলা ভাষায় দক্ষতা থাকা সুনীল দেওধরকেই রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দরবার করতে পারে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল।

Continue Reading

জাতীয়

মোদীর কারণেই রাশিয়া-ইউক্রেন বিবাদ, দাবি মমতার

Published

on

By

mamata Modi

কলকাতা: এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে রয়েছে রশিয়া এবং ইউক্রেন। যার বড় প্রভাব পড়েছে ভারতে। নানাবিধ সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। সেই সঙ্গে ইউক্রেনে আটক প্রবাসীরা অনেক প্রতিকূলতার সমুখীন হয়েছেন। ভারতে ফিরলেও সমস্যার সমাধান হয়নি প্রবাসী পড়ুয়াদের। এই সকল জটিলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দায়ী করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রবাসী পড়ুয়াদের সবথেকে বড় চিন্তার কারণ হচ্ছে মাঝ পথ পঠনপাঠন ছেড়ে ফিরে আসা। ভারতের মাটিতে নতুন করে লেখাপড়া শুরু করা কিংবা মাঝপথ থেকে সেমিস্টার শুরু করা সংশয় রয়েছেন সকলে। প্রশাসনিক আশ্বাসে চিঁড়ে ভেজেনি। যা নিয়েই কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মমতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছেন, “যুদ্ধ লাগানোর আগে তোমার ভাবা উচিৎ ছিল যে আমাদের ছেলেরা ফিরে এসে কোথায় থাকবে? কী খাবে? কী পড়বে?”

দুই স্বাধীন রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কী? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে। সেই সঙ্গে দুই রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে ওই প্রকারের বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের বদনাম হচ্ছে বলে দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ট্যুইট করেছেন, “রাশিয়া এবং ইউক্রেন বিবাদের জন্য মোদী সরকারকে দায়ী করচেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তিনি কী জানেন না যে এই প্রকারের শব্দ ভারতের কূটনীতির পরিপন্থী? ভারতের বিদেশনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এতে প্রভাবিত হতে পারে।”

বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং ভারতের কূটনৈতিক বিভাগের কাছে অনুরোধ করেছেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে তাঁর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এই প্রকারের মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কাছে। ট্যুইটারে শুভেন্দু লিখেছেন, “অনুগ্রহ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং তা মোকাবিলার চেষ্টা করুন।
আমি লজ্জিত বোধ করছি যে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর ভুল আন্তর্জাতিক মঞ্চে আপনার জন্য ব্যাপক বিব্রতকর অবস্থার কারণ হতে পারে।”

Continue Reading

Trending