Connect with us

উত্তর-পূর্ব

নিমাতিঘাট ফেরি দুর্ঘটনা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করবেন না, কংগ্রেসের ১৫ বছরের ব্যর্থতা স্মরণ করিয়েছে অসম বিজেপি

Published

on

গুয়াহাটি, ১১ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : যোরহাটে ব্রহ্মপুত্রের নিমাতিঘাটে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ভয়ংকর ফেরি দুর্ঘটনায় সমগ্র রাজ্যে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। দুর্ঘটানায় নিহত এবং নিখোঁজদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। দল-মত নির্বিশেষে সব ধরনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠে শাসক-বিরোধী সাবাইকে সম্মিলিতভাবে পরিজন-হারানো পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই বর্তমান সময়ে মানবিক কাজ।

কঠিন এই সময় রাজনীতি করাটা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই সমীচীন নয়। অনাকাঙ্ক্ষিত ফেরি দুর্ঘটনা নিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস যে নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বিশেষ করে অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বরার ফেরি দুর্ঘটনা এবং মাজুলি সংযোগী সেতু নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে উস্কানিমূলক বক্তব্যের কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে প্রদেশ বিজেপি।

হেঙেরাবাড়িতে অসম প্রদেশ বিজেপির সদর দফতরে শুক্রবার দুপুরে এক সাংবাদিক আয়োজিত করেছিল দল। সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ মুখপাত্র লক্ষ্য কোঁওর বলেন, নিমাতিঘাটে সংগঠিত দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা ইতিমধ্যে এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী সকলকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান সহ অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেছেন। দুর্ঘটনা সংঘটিত হ‌ওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকার্য চালানোর ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়েনি। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর তদারকিতে উদ্ধারকার্য অব্যাহত রয়েছে। সংকটজনক এ সময় শাসক-বিরোধী সকলকে একত্রিত হয়ে রাজ্যের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সুস্থ গণতন্ত্রের উদাহরণ তুলে ধরাই বর্তমান সময়ের দাবি। কিন্তু এর বিপরীতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেনকুমার বরার উস্কানিমূলক আচরণ ও বক্তব্য সত্যিই অত্যন্ত নিন্দার বিষয়।

প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র লক্ষ্য কোঁওর অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যোরহাট-মাজুলি সংযোগী সেতু নির্মাণের জন্য বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সরকারের কার্যকালেই সেতু নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হবে। প্রত্যেক মাসে সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকির জন্য মন্ত্রী অজন্তা নেওগের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে, এক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা এবং সেতু নির্মাণে সরকার কতটুকু দায়িত্বশীল।
লক্ষ্য কোঁওর কংগ্রেসের ওপর হামলা করে বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতবর্ষে এবং এই রাজ্যে অধিক সময় কংগ্রেস শাসনক্ষমতায় ছিল। অথচ মাজুলিবাসীর সহজ যাতায়াতের জন্য তৎকালীন কংগ্রেস সরকার কখন‌ও কোনও চিন্তাই করেনি। কিন্তু দীর্ঘ বছর পর বিজেপি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে যখন মাজুলিবাসীর উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন‌ কংগ্রেস দল রাজ্যের জনগণকে ভুল পথে পরিচালিত করতে উঠে-পড়ে লেগেছে।

কটাক্ষ করে লক্ষ্য কোঁওর বলেন, কংগ্রেসের বক্তব্য অনুযায়ী মহাবাহু ব্রহ্মপুত্র নদ কোনও উপনদী কিংবা ছোট নালা নয় যে কয়েকটি পিলার পুঁতলেই সেতু নির্মাণ হয়ে যাবে। এর জন্য গভীর অধ্যয়ন এবং বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনার প্রয়োজন। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয় রূপরেখা চূড়ান্ত করে নিয়েছে। সেতু নির্মাণের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সমাপ্ত হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা ঘোষণা করেছেন। এই সেতু নির্মাণের পর মাজুলিবাসী দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। কেন্দ্রে টানা দশ বছর এবং রাজ্যে ১৫ বছর তথা নিজের গৃহ-জেলার মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর‌ও, যোরহাট-মাজুলি সংযোগী সেতুর প্রয়োজনীয়তা সসবসময় অবজ্ঞা করে গিয়েছে কংগ্রেস, নাম না ধরে তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত তরুণ গগৈকে ঠুকেছেন লক্ষ্য।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বরাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে লক্ষ্য কোঁওর বলেন, তাঁর দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বগিবিল সেতুর কয়েকটি পিলার পর্যন্ত নির্মাণ করতে পারেনি। সে সকল কথা রাজ্যবাসী এখনও ভুলেননি। তাই, নিমাতিঘাট দুর্ঘটনায় প্রশাসনের উদ্ধারকার্য চলাকালীন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভূপেন বরাকে উস্কানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র লক্ষ্য কোঁওর।

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending