Connect with us

পশ্চিমবঙ্গ

আব্বাসকে গ্রেফতারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বাংলাপক্ষের

Published

on

কলকাতা: পড়শি রাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘটনার বড় প্রতিক্রিয়া পড়েছে ভারতের মাটিতে। পশ্চিমবঙ্গের শাসক-বিরোধী সবপক্ষই ওই বিষয়ে ভারত সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। এই অবস্থায় উলটো সুর শোনা গিয়েছে বাংলার রাজনৈতিক দল আইএসএফ-র প্রতিষ্ঠাতা আব্বাস সিদ্দিকীর গলায়। যা উসকানিমূলক বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবিলম্বে আব্বাস সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছে ভারতে বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলাপক্ষ। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সম্প্রতি সামাজিক মাধ‍্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওবার্তায় দেখা যাচ্ছে, মৌলবাদী রাজনীতিবিদ আব্বাস সিদ্দিকী তীব্র আক্রমণাত্মক সাম্প্রদায়িক বক্তব‍্য রাখছে।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তা থেকে সুরক্ষিত আছে। এখানকার বাঙালি নিজেদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে ধর্ম নির্বিশেষে।

সেই বাংলার মাটিতে ফুরফুরা শরিফের ধর্মগুরু আব্বাস সিদ্দিকী সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করে হিংসায় উসকানি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছে বাংলাপক্ষ। তাদের বক্তব্য, “বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিষয়কে টেনে এনে এই বাংলার মাটিকেও অশান্ত করার অপচেষ্টা হচ্ছে। বাঙালি বিরোধী বহিরাগত অপশক্তি যারা ধর্মের ভিত্তিতে বাঙালিকে ভাগ করতে চায়, তারা এইসব উস্কানির মদতদাতা।”

এই ধরনের ব্যক্তিকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা উচিত বলে দাবি করা হয়েছে ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তাঁরা চিঠিতে লিখেছেন, “আব্বাসের মতো মৌলবাদীরা স‌খ‍্যাগুরু ধর্মীর মৌলবাদীদের ভিত মজবুত করে। পশ্চিম বাংলার অসাম্প্রদায়িক, মৌলবাদ বিরোধী চেতনা আপনার হাতে সুরক্ষিত থাকবে বলেই বিশ্বাস করি।
এছাড়াও যে কোন ধর্মের যে কেউ ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ালে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

আইএসএফ-র প্রতিষ্ঠাতা আব্বাস সিদ্দিকী রাজনৈতিক দল গঠনের অনেক আগে থেকেই ধর্মীয় জলসায় বক্তব্য রাখেন। ফুরফুরার পীরজাদা হিসেবেই তাঁর জনপ্রিয়তা হয়েছিল। তেমনই একটি জলসায় গত সপ্তাহে বাংলাদেশের কুমিল্লার ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন আব্বাস। এই বিষয়ে আইএসএফ-র এক নেতা বলেছেন, “আব্বাস সিদ্দিকী ধর্মগুরু হিসেবে জলসায় গিয়েছিলেন। সেই জলসা আইএসএফ দলের ছিল না। ওই মন্তব্য রাজনৈতিক নয়।”

পশ্চিমবঙ্গ

মশারি টাঙিয়ে মিছিল করে ভোটের প্রচার বিজেপির

Published

on

By

কলকাতা: মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে ওই রোগ মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে। বিরোধীরা অনেক আন্দোলনও করেছে। এবার সেই বিষয়যটিকে হাতিয়ার করে অভিনব প্রচার শুরু করল বিজেপি।

চলতি মাসেই চন্দননগর-সহ ওই রাজ্যের একাধিক পুরনিগমের ভোট রয়েছে। সেই ভতের প্রচারেই ডেঙ্গু নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করে অভিনব প্রচার করতে দেখা গিয়েছে পদ্ম শিবিরকে। মশারি টাঙিয়ে, তাঁর ভিতরে প্রার্থীকে নিয়ে প্রচার করলেন রাজ্য বিজেপির সম্পাদক এবং পরশুরার বিধায়ক বিমান ঘোষ।

এমনই ছবি দেখা গিয়েছে হুগলী জেলার চন্দননগর পুরসসভার এক নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়। সেখানের বিজেপি প্রার্থী গোপাল চৌবের সমর্থনে মিছিল করেন বিধায়ক বিমান ঘোষ। মশারির ভিতরে প্রার্থীকে পাশে নিয়ে মিছিল করেন বিধায়ক বিমান। সেখান থেকেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বললেন, “এলাকায় নিকাশির সমস্যা রয়েছে। যার ফলে মশাবাহিত রোগ বাড়ছে। কিন্তু পুরসভা উদাসীন। সেই কারণেই আমরা মশারি নিয়ে প্রচার করছি।”

Continue Reading

পশ্চিমবঙ্গ

মমতাকে গ্যালিলিও-র সঙ্গে তুলনা দেবাংশুর

Published

on

By

কলকাতা: নেত্রী মমতাকে কখনও দেবী কখনও মায়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য। এবার সেই নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা দার্শনিকের সঙ্গে তুলনা করলেন দেবাংশু। নিজের দাবির সমর্থনে দেখালেন জোরাল যুক্তি।

গত নভেম্বর মাসের ১৮ তারিখে হাওড়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাশফুলকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার কথা বলেন। শরতের সময়ে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় কাশফুল দেখা যায়। সেই ফুল ব্যবহার করে বালিশ বা বালাপোশ তৈরির পরামর্শ দিয়েছিলেন মমতা। সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করে উলুবেড়িয়ার বণিকসভা।

পরীক্ষামূলকভাবে উলুবেড়িয়াতে কাশফুল থেকে বালাপোশ তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে বালিশ এবং আর অন্যান্য কিছু সামগ্রী তৈরির পরিকল্পনা করেছে সেখানের বণিকসভা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই দলনেত্রীর হয়ে আসরে নেমেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, “গ্যালিলিও যখন বলেছিল “সূর্য স্থির, পৃথিবী ঘোরে”, তাকে একঘরে করে দেওয়া হয়েছিল। লোকে তাকে পাগল বলেছিল। সেদিন আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার কাজটা করে ছিল সমাজের কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তি। বাকিটা ইতিহাস। আজকের দিনে গ্যালিলিওর বিরোধিতাকারীদের ইতিহাস মনে রাখেনি। মনে রেখেছে গ্যালিলিওকে। বরং তার সমালোচকদের প্রাপ্তি একটাই, তাদের নাম গ্যালিলিওর নামের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আছে, ‘গ্যালিলিওর সমালোচক’ বলে।”

এরপরেই সরাসরি কাশফুল নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রশংসা এবং বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন দেবাংশু। তিনি বলেছেন, “ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়। এবারও তার অন্যথা হল না। অবাক হব না যদি দেখি, আজ থেকে পাঁচ বছর পর সেই সমালোচকরা দামি শপিং মল থেকে “কাশফুলের বালিশ” কিনে তাদের ঘর সাজাতে ব্যস্ত হয়েছেন! এক সিপিএম কর্মী আমায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, “দাদা কাশফুলের বালিশ কবে আসছে?”। মনে আছে, জবাবে তাকে বলেছিলাম, ‘নিশ্চিত ভাবে সিপিএম ক্ষমতায় আসার বহু আগেই..’।”

Continue Reading

পশ্চিমবঙ্গ

বাংলা কাঁপাতে পথে নামছে বিজেপির ‘বিবেক বাহিনী’

Published

on

By

সৌমেন শীল, কলকাতা: ক্ষমতা দখল অধরা রয়ে গেলেও হাল ছাড়তে নারাজ বিজেপি বংগ ব্রিগেড। পশ্চিমবঙ্গে যুব শাখা এবার চালু করতে চলেছে নয়া অভিযান। কোনও প্রকারের আন্দোলন বা বিক্ষোভ নয়, মানুষের পাশে থেকে সেবা করবে ওই রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চা।

এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ যুব মোর্চার সভাপতির পদে আসীন রয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ। যিনি পেশায় চিকিৎসক। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। কর্মসূচি স্থির করতে তাই নিজের পেশাকেই হাতিয়ার করেছেন তিনি। ইন্দ্রনীল বাবুর নেতৃত্বে গঠিত ‘বিবেক বাহিনী’ তিরি হবে ডাক্তারদের নিয়ে। অতিমারির সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা সংক্রমিতদের চিকিৎসা পরিষেবা, ওষুধ, খাবার এবং অন্যান্য সামগ্রী পৌঁছে দেবেন ওই বাহিনীর সদস্যরা।

চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিষেবার জন্য কলকাতায় একটি ২৪ ঘণ্টার পরিষেবাও চালু হচ্ছে। রাজ্যে যে কোনও প্রান্ত থেকে যে কোনও সময়ে ফোন করলে চিকিৎসকদের পরামর্শ পাওয়া যাবে। ঠিক হয়েছে রাজ্যস্তরে দু’টি হেল্পলাইন নম্বর থাকবে। একটি করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসার জন্য এবং অপরটি আক্রান্ত গৃহবন্দীদের অন্যান্য সহযোগিতার জন্য। কাউকে হাসপাতালে ভর্তি করানো দরকার কি না সেটা যেমন বিবেক বাহিনীর সদস্যরা দেখবেন তেমনই বাড়ি বাড়ি ওষুধ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেবেন।

যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রণিল খানের নেতৃত্বে থাকছে ১০০ জন চিকিৎসকের একটি দল। দলের চিকিৎসক শাখার সকলকেই ওই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিজেপির ‘বিবেক বাহিনী’র অভিযান। স্বামি বিবেকানন্দকে সম্মান জানাতে তাঁর জন্মদিনের দিন থেকেই যাত্রা শুরু করবে বিজেপির ‘বিবেক বাহিনী’।

Continue Reading

Trending