Connect with us

Uncategorized

‘দুয়ারে সরকার’-এর এত টাকা আসবে কোথা থেকে, প্রশ্ন নানা মহলে

Published

on

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর: এবারের দুয়ারে সরকার’ শিবিরে রাজ্যের ১ কোটি ৮০ হাজার মহিলার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প-এর আবেদন গৃহীত হয়েছে। এতে রীতিমত উদ্বেগে নবান্ন-র কর্তারা। প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে।

আগামীদিনে এই প্রকল্পে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন নবান্নের আধিকারিকরা। বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেটে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করেছিল রাজ্য সরকার। তাই এই বছরে এই প্রকল্পের হাত ধরে আবেদনকারীদের টাকা পাওয়া নিয়ে সমস্যা হবে না।

আগামী আার্থিক বছরে এই প্রকল্পের জন্য কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন রয়েছে। সেই টাকা কোথা থেকে আসবে তা নিয়ে এখন থেকেই চিন্তা ছড়িয়েছে নবান্নে। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী অর্থবর্ষের জন্য এখন থেকেই ওই টাকা কোথা থেকে জোগাড় করা যাবে তা নিয়ে অর্থ দফতরের আধিকারিকদের যেন ভাবনাচিন্তা করেন। সেই সঙ্গে অনান্য দফতরগুলিকেও নির্দেশ দিয়েছেন খরচ যতটা সম্ভব কম রাখার জন্য। উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়েই যে রাজ্যের নানা সামাজিক প্রকল্পের কাজ আগামী অর্থবর্ষেও চালানো হবে সেটা মোটামুটি বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতি সম্প্রতি অভিযোগ তুলেছেন, জনমোহিনী পথে হাঁটতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী উন্নয়ের নানা প্রকল্পে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিং বুধবার বিক্ষোভকারীদের ছবির ভিডিও-তে দিয়ে টুইটে লিখেছেন, “ঘটা করে চালু করা পুরোহিত ভাতার আসল সত্যটা দেখুন। সিংভাগ পুরোহিত ভাতা পাননি, যাঁরা পেয়েছেন সেটাও এখন বন্ধ। রাজ্যে সমস্ত প্রকল্পগুলির এইটাই বাস্তব চিত্র। কাগজে কলমে আছে, বাস্তবে নেই।

আর কত মানুষকে বোকা বানাবেন মাননীয়া?”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Uncategorized

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী-বিধায়কদের পেটাল তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতারা

Published

on

By

বহরমপুর: শাসকদলের দুই বিধায়ককে পেটাল দলেরই দুই নেতা, আক্রান্ত দুই বিধায়কের একজন আবার রাজ্যের মন্ত্রী। হামলাকারীদের নেতৃত্ব দিল দলেরই জেলা সভাপতি এবং যুব সভাপতি। এমনই অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের। ওই রাজ্যের শাসক তৃণমূলের মন্ত্রী এবং বিধায়ককে পিটিয়েছে দলেরই একদল নেতা।

ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাআদ জেলার। ওই জেলা থেকেই জিতে বিধায়ক হয়েছেন সুব্রত সাহা এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। যাদের মধ্যে সুব্রতবাবু রাজ্যের মন্ত্রী। এই দুই বিধায়কে পিটিয়েছে তৃণমূল নেতা গোলাম মুর্শেদ ও মাহম্মদ আলম। প্রথম জন তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলার সভাপতি। আর অপরজন ওই জেলারই যুব সভাপতি।

দিন কয়েক আগে বর্ধমানের এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান একই পরিবারের ছয় জন। মুর্শিদাআদের বড়ঙা এলাকার বসিন্দা ছিলেন তাঁরা। সেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে বুধবার বড়ঙা দিয়েছিলেন মন্ত্রী সুব্রত সাহা। যিনি ওই জেলারই সাগরদিঘী এলাকার বিধায়ক। স্থানীয় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাও ছিলেন মন্ত্রীর সঙ্গে।

সেখান থেকে ফেরার সময়ে হামলা করা হয় ওই দুই বিধায়কের উপরে। গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট। অভিযোগ উঠেছে দলেরই একদল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। জেলা সভাপতি এবং যুব সভাপতির নেতৃত্ব ওই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী এবং বিধায়ককে আক্রান্ত হতে হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।

এই বিষয়ে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে মারামারি নতুন কিছু নয়। এই বিষয়ে আমাদের বলারও কিছু নেই। পুলিশ প্রশাসন সব জানে। তৃণমূলের দু’টো গোষ্ঠী তৎপর। নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পুলিশের। সারা বাংলার মতো মুর্শিদাবাদেও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঝলক দেখা যাচ্ছে, এটা চলতেই থাকবে।” এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ত্রিপুরার পুরভোট নিয়ে সবাই ব্যস্ত।

Continue Reading

Uncategorized

জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল, কটাক্ষ তৃণমূলকে

Published

on

By

কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ভবানীপুরে উপ-নির্বাচনের খুব বেশি দিন বাকি নেই, সময় নষ্ট করছেন না মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। বুধবার সকালে যদুবাবুর বাজারে প্রচার সারলেন প্রিয়াঙ্কা। যদিও দেবেন্দ্র ঘোষ রোডে প্রচার চলাকালীন স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক বিজেপি নেত্রীকে দেখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

প্রচার শেষে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল বলেন, ”আমি দেখেছি টুইটারে তৃণমূল আমার বিরুদ্ধে একটা ক্যাম্পেন চালাচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে, মমতা দিদির কাছে কিছুই নেই। গাড়ি নেই, বাড়ি নেই। শুধু শাড়ি আর হাওয়াই চটি পরে ঘোরেন। ওনার কাছে কিছুই নেই। আমি বলছি কী করে থাকবে? ওনার তো এত এত ভাই আছে। তাঁদের নামে সবকিছু আছে। তৃণমূল লিখছে প্রিয়ঙ্কার কাছে তিন কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। হ্যাঁ আছে। কারণ আমি শিক্ষিত মানুষ। ৪০ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে উপার্জন করেছি। ১৮ বছর থেকে কাজ করছি। সেই জন্যই আছে।”

Continue Reading

Uncategorized

পর্যটনে বিকাশ এবং ত্রিপুরার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, উজ্জয়ন্ত প্যালেসের দরবার হল সাজছে নতুন রূপে

Published

on

By

আগরতলা, ১৯ আগস্ট : পর্যটনে বিকাশ এবং ত্রিপুরার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, উভয়ই রাজ্য সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। তাই, উজ্জয়ন্ত প্যালেসের দরবার হল নতুন রূপ পেতে চলেছে। তাতে পর্যটকদের আকর্ষণ অনেক গুণ বাড়বে বলে অনুমান পর্যটন দফতরের। ত্রিপুরার সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের লক্ষ্যে উজ্জয়ন্ত প্যালেসের দরবার হল নতুন আঙ্গিনায় সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে পর্যটন দফতর। এক টুইট বার্তায় ওই দাবি করেন পর্যটন দফতরের অধিকর্তা তরীত কান্তি চাকমা।

তিনি বলেন, ১২০ বছর পুরনো উজ্জয়ন্ত প্যালেসের দরবার হল ফের একবার সাজানো হচ্ছে। মূলত, রাজ আমলের ধাঁচেই সাজিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে। সেই পুরনো ধাঁচ ও ধরণ মেনেই পুন: প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনি জানান, ললিত কলা একাডেমি এবং রাজ পরিবারের সদস্যরা ওই কাজে সহায়তা করছেন। তিনি এ-সংক্রান্ত একটি স্কেচ প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, উজ্জয়ন্ত প্যালেসকে বর্তমানে মিউজিয়ামে রূপান্তর করা হয়েছে। ওই প্যালেসকে ঘিরে পর্যটকদের উত্সাহ প্রচুর। প্যালেসের অনেক কিছুই পর্যটকদের দারুন আকৃষ্ট করে তোলে। তাই, পর্যটকদের জন্য ওই প্যালেস উন্মুক্ত কর দিয়েছে ত্রিপুরা সরকার। অবশ্য, করোনার প্রকোপে আপাতত মিউজিয়াম পর্যটকদের জন্য বন্ধ রয়েছে। কিন্ত, রাজ আমলের ঐতিহ্য দেখার জন্য করোনাকালের আগে প্রচুর পর্যটক ভিড় করতেন।

দরবার হল পুণরায় সাজিয়ে তোলা হলে, নিঃসন্দেহে তা পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াবে। তাছাড়া, রাজ আমলের ঐতিহ্যকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার মাধ্যমে ত্রিপুরায় পর্যটনের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হবে।

Continue Reading

Trending