Connect with us

পশ্চিমবঙ্গ

রামপুরহাট কাণ্ড ফেরাচ্ছে নন্দীগ্রামের স্মৃতি

Published

on

Rampurhat

সৌমেন শীল: বিকেলের দিকে একবার উপপ্রধানকে লক্ষ্য করে হামলা। তারপর রাতের দিকে সেই একই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়ে খুন। তারপরে এলাকায় একাধিক বাড়িত অগ্নি সংযোগ এবং ১২ জনের মৃত্যু। সোমবার থেকে বীরভূম জেলার রামপুরহাটের এই ঘটনা ঘিরে তোলপাড় সমগ্র দেশ। পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি উঠতে শুরু করেছে। আর এই ঘটনার সঙ্গেই সাদৃশ্য পাওয়া যাচ্ছে নন্দীগ্রাম কাণ্ডের।

২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ঘটে বহু গ্রামবাসীর। যদিও তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে পুলিশের পোশাকে শাসক সিপিএম-র কর্মীরা হামলা চালিয়েছিল নন্দীগ্রামে। যা নিয়ে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল আলোচনা। কাঠগড়ায় তোলা হয় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। সেই ঘটনার কারণেই ২০১১ সালে সুদীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম সরকারের পতন ঘটেছিল বলে দাবি করে তৃণমূল।

রামপুরহাটের ঘটনার সঙ্গেও কোথাও যেন সাদৃশ্য রয়েছে নন্দীগ্রামের। বিষয়টা যেন কিছুটা অদৃশ্য। বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে হলে আরও একটু পিছিয়ে যেতে হবে। ২০০৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন হয় পশ্চিমবঙ্গে। বাম বিরোধী প্রবল হাওয়া উঠেছিল ভোটের আগ। তৃণমূল যেন ক্ষমতায় এসেই গিয়েচে। কিন্তু বাস্তবে ঘটে ভিন্ন। ২৩৪টি আসন পায় বামেরা। বঙ্গে বিরোধী খুঁজতে দূরবীনের প্রয়োজন হতো। এরপরে ২০০৭ সালের মার্চে ঘটে নন্দীগ্রামের ঘটনা। তারপর থেকেই ঘুরে যায় সব খেলা।

ঠিক একই রকম ঘটনা যেন ঘটল ২০২২ সালের রামপুরহাটে। ২০২১ সালে ভোটের আগে প্রবল বিজেপি হাওয়া দেখা গিয়েছিল রাজ্য জুড়ে। কিন্তু ২০০টির বেশি আসন নিয়ে বিধানসভা দখল করে তৃণমূল। এর পরের বছরেই মার্চ মাসে ঘটে গেল রামপুরহাটের ঘটনা। মৃত্যুর সংখ্যাটাও দুই ক্ষেত্রে কাছাকাছি। যা দেড় দশক পরে ফের একবার ফিরিয়ে আনছে নন্দীগ্রামের স্মৃতি।

নন্দীগ্রাম কাণ্ড নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০০৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভালো ফল করে তৃণমূল। তারপরে ২০০৯ লোকসভা নির্বাচনে ২৬ আসন পায় তৃণমূল জোট। এরপরে ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটে। রামপুরহাটের ঘটনা যেন তেমনই কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে সেটা এখন সময়ের অপেক্ষা।

জাতীয়

উপাচার্যকে গালি তৃণমূলের, বিক্ষোভে বিজেপি

Published

on

By

Aliah University

কলকাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে মা তুলে অশ্রাব্য গালি তৃণমূলের ছাত্রনেতার। সেই সঙ্গে হত্যার হুমকি দেওয়া হল ওই উপাচার্যকে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নিয়ে। অভিযুক্ত যুবক এখন আর দলে নেই বলে দায় এড়াল তৃণমূল।

চেয়ারে বসে রয়েছেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহম্মদ আলি। তাঁকে ঘিরে রয়েছে জনা কয়েক বিক্ষুব্ধ ছাত্র। যারা অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করে চলেছে উপাচার্যকে। যাদের নেতৃত্বে রয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা গিয়াসুদ্দিন মন্ডল। প্রথমে চড় মারার হুমকি, তারপরে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হল। ফোন আটকে রেখে ছাত্রদের পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তুলল ওই ছাত্ররা।

শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী বিজেপি। রবিবার সকালে উপাচার্যের হেনস্থার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেই বিক্ষোভ থেকে দাবি উঠল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের। সেই সঙ্গে আচার্য হিসেবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপ করার দাবিও তুললেন বিজেপি হুগলী জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার।

অভিযুক্ত গিয়াসুদ্দিনের সঙ্গে এখন সংগঠনের আর কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গিয়াসুদ্দিনের ওই কীর্তিকে দল সমর্থন করে না বলেও দাবি করেছে ঘাস ফুল শিবির। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য ফেসবুকের দেওয়ালে লিখেছেন, “ভিডিওটা দেখে গা গুলিয়ে উঠল। বমি পাচ্ছে! আসে পাশে গভীর পচন ধরেছে। শিক্ষাগুরু সম্পর্কে এমন ভাষা! কল্পনাও কি করা যায়? ছিঃ! অনতিবিলম্বে শিক্ষক, শিক্ষিকাদের হাতে লাঠি, বেত ফিরে আসা খুব প্রয়োজন…”

Continue Reading

ত্রিপুরা

ত্রিপুরার কায়দায় বঙ্গ জয়ের ভাবনা বিজেপির

Published

on

By

Biplab Sunil

কলকাতা: আশা জুগিয়েও অধরা থেকে গিয়েছে বিজেপির বঙ্গ বিজয়। যার জেরে ভঙ্গুর হয়েছে সংগঠন। এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়াতে ত্রিপুরা মডেলকে হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড। পশ্চিমবঙ্গে দলের পর্যবেক্ষক করা হতে পারে সুনীল দেওধরকে। এমনই গুঞ্জন ছড়িয়েছে মুরলী ধর সেন লেনের অন্দরে।

সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে সুনীল দেওধরকে। বাংলা ভাষায় দক্ষ ত্রিপুরা জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি দেওধরের উপরই আগামী দিনে বাংলায় দলের স্বাস্থ্য ফেরাতে ভরসা রাখতে চলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলের একটা বড় অংশ চাইছেন, বাংলা বোঝেন, বাংলায় কথা বলতে পারেন ও দক্ষ সংগঠক এরকম কাউকে দায়িত্বে নিয়ে আসার। আর তাই আলোচনায় উঠে এসেছে সুনীল দেওধরের নাম। মুরলী ধর সেন লেনেরও প্রথম পছন্দ সুনীল দেওধরকে।

২০১৮ সালে ত্রিপুরার ক্ষমতা দখল করে ভারতীয় জনতা পার্টি। অবসান ঘটে ২৫ বছরের বাম শাসনের। গেরুয়া শিবিরের সেই সাফল্যের কাণ্ডারি ছিলেন এই সুনীল দেওধর। বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায় তাঁর রণকোশলে এসেছিল সাফল্য। এছাড়াও বাঙালি ভোটারের আধিক্য থাকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারানসীর নির্বাচন প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন বিজেপির এই নেতা। তাই অভিজ্ঞ এবং বাংলা ভাষায় দক্ষতা থাকা সুনীল দেওধরকেই রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দরবার করতে পারে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল।

Continue Reading

জাতীয়

মোদীর কারণেই রাশিয়া-ইউক্রেন বিবাদ, দাবি মমতার

Published

on

By

mamata Modi

কলকাতা: এক মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে রয়েছে রশিয়া এবং ইউক্রেন। যার বড় প্রভাব পড়েছে ভারতে। নানাবিধ সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। সেই সঙ্গে ইউক্রেনে আটক প্রবাসীরা অনেক প্রতিকূলতার সমুখীন হয়েছেন। ভারতে ফিরলেও সমস্যার সমাধান হয়নি প্রবাসী পড়ুয়াদের। এই সকল জটিলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দায়ী করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রবাসী পড়ুয়াদের সবথেকে বড় চিন্তার কারণ হচ্ছে মাঝ পথ পঠনপাঠন ছেড়ে ফিরে আসা। ভারতের মাটিতে নতুন করে লেখাপড়া শুরু করা কিংবা মাঝপথ থেকে সেমিস্টার শুরু করা সংশয় রয়েছেন সকলে। প্রশাসনিক আশ্বাসে চিঁড়ে ভেজেনি। যা নিয়েই কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মমতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছেন, “যুদ্ধ লাগানোর আগে তোমার ভাবা উচিৎ ছিল যে আমাদের ছেলেরা ফিরে এসে কোথায় থাকবে? কী খাবে? কী পড়বে?”

দুই স্বাধীন রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কী? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে। সেই সঙ্গে দুই রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে ওই প্রকারের বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের বদনাম হচ্ছে বলে দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ট্যুইট করেছেন, “রাশিয়া এবং ইউক্রেন বিবাদের জন্য মোদী সরকারকে দায়ী করচেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তিনি কী জানেন না যে এই প্রকারের শব্দ ভারতের কূটনীতির পরিপন্থী? ভারতের বিদেশনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এতে প্রভাবিত হতে পারে।”

বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং ভারতের কূটনৈতিক বিভাগের কাছে অনুরোধ করেছেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে তাঁর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এই প্রকারের মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কাছে। ট্যুইটারে শুভেন্দু লিখেছেন, “অনুগ্রহ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং তা মোকাবিলার চেষ্টা করুন।
আমি লজ্জিত বোধ করছি যে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর ভুল আন্তর্জাতিক মঞ্চে আপনার জন্য ব্যাপক বিব্রতকর অবস্থার কারণ হতে পারে।”

Continue Reading

Trending