Connect with us

উত্তর-পূর্ব

আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে জারি পৃথক এসওপি, ১৭ সেপ্টেম্বর কম করেও ৭ লক্ষ প্ৰতিষেধক প্ৰদানের লক্ষ্য

Published

on

গুয়াহাটি, ১৫ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : করোনার আবহে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকার জারি করেছে পৃথক নয়া স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিজিওর (এসওপি)। রাজ্যে এখন শারদীয় দুৰ্গাপূজা, কালীপূজা, দীপাবলি উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করছে। আসন্ন দুর্গোৎসবের প্ৰতি লক্ষ্য রেখে রাজ্য সরকার এই সময়কালে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্ৰণে রখতে বেশ কিছু সতৰ্কতামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আসন্ন দুৰ্গাপূজা তথা শারদীয় উৎসবে শামিল হতে এই নতুন ধরনের এসওপি জারি করেছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যে ফের ‘মেগা কোভিড ভ্যাক্সিনেশন’ কাৰ্যসূচি হাতে নেবে স্বাস্থ্য দফতর। সেদিন কম করেও ৭ লক্ষ মানুষকে প্ৰতিষেধক প্ৰদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

অসমে কোভিড সংক্রমণে কিছুটা উন্নত হওয়ায় দুৰ্গোৎসব পালন করা হবে বলে কয়েকদিন আগে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তাই পূজার আয়োজন করার পরিবেশ এসেছে বিবেচনা করে রাজ্য সরকার আজ জারি করেছে কিছু নীতি-নিৰ্দেশনা। সে অনুযায়ী পূজো-আয়োজকদের কঠোরভাবে পালন করতে হবে কোভিড-বিধি।

নয়া এসওপি অনুযায়ী, সীমিত সংখ্যক দর্শক-ভক্তকুলের উপস্থিতিতে দুৰ্গা পূজার আয়োজন করার পরামৰ্শ দেওয়া হয়েছে। আয়োজক কমিটির প্রত্যেক সদস্যকে কোভিড পরীক্ষা অথবা কোভিড ভ্যাকসিন গ্ৰহণ সম্পর্কেও নির্দেশনা রয়েছে। বলা হয়েছে, দুৰ্গাপূজা, কালীপূজা ইত্যাদির জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্ৰশাসনের কাছ থেকে অগ্রিম অনুমতি নিয়ে সম্পূর্ণ কোভিড বিধির মাধ্যমে আয়োজন করতে হবে পুজোৎসব।

বলা হয়েছে, প্ৰত্যেক জেলা প্ৰশাসন নিজ নিজ জেলায় নিয়মিত দুৰ্গাপূজা কমিটি বা আয়োজক সমিতির সঙ্গে অগ্রিম বৈঠকে বসে পূজা পালন করতে কোভিড প্ৰটোকল সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবগত করবে। জেলা প্ৰশাসনের কাছ থেকে অগ্রিম অনুমতি নিয়ে এবং সম্পূর্ণ কোভিড বিধি বলে আয়োজন করতে হবে দুর্গোৎসব। একেকটি পূজায় কেমন জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে, সে সম্পর্কে আয়োজক সমিতি জেলা প্রশাসনকে জানাবে।

পূজামণ্ডপ বা পূজাস্থলে যে সব বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে সেগুলি যথাক্রমে, পূজাস্থল যথেষ্ট খোলামেলা প্রসারিত থাকতে হবে। মণ্ডপের চতুর্দিক খোলা থাকবে। যে কোনও দুজনের (দৰ্শনাৰ্থী) মধ্যে ন্যূনতম শারীরিক ব্যবধান কোভিড বিধি বলে অনুসরণ করার পাশাপাশি প্ৰতিটি পূজামণ্ডপে যথেষ্ট খোলা জায়গা থাকতে হবে।

পূজামণ্ডপে প্ৰবেশ এবং প্ৰস্থানের জন্য পৃথক রাস্তার ব্যবস্থা থাকা জরুরি। প্ৰবেশপথ থেকে প্ৰস্থানপথ পর্যন্ত উপযুক্ত ফলক রাখতে হবে যাকে দৰ্শনাৰ্থীদের চোখে পড়ে। পূজামণ্ডপে একই সময়ে মাত্ৰাধিক জনসমাগম হতে দেওয়া যাবে না। দৰ্শনাৰ্থীরা যাতে কোভিড প্ৰটোকল মেনে পূজামণ্ডপে সুশৃঙ্খলিতভাবে প্রবেশ করতে পারেন, সেজন্য পৰ্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করবেন অয়োজকরা।

কোনও ব্যক্তির শরীরে সন্দেহজনক কোভিড সংক্ৰমণের লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে আয়োজক সমিতিকে সঙ্গে সঙ্গে এ ব্যাপারে জেলা প্ৰশাসনের দৃষ্টিগোচর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিকটবৰ্তী কোভিড পরীক্ষা কেন্দ্ৰে স্থানান্তরিত করতে হবে।

আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক, পুরোহিত, ভক্ত বা দৰ্শনাৰ্থীদের জন্যও কিছু নিয়মাবলী বেঁধে দিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী, আয়োজক সমিতির প্ৰত্যেক পদাধিকারী ও সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, পুরোহিতের পাশাপাশি ভক্ত তথা দৰ্শনাৰ্থীদের কমপক্ষে প্রথম ডোজ কোভিড প্ৰতিষেধক নিতে হবে। কোনও প্ৰতিষেধক এমন পদাধিকারী, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, পুরোহিত বা দৰ্শনাৰ্থীর পুজোমণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এছাড়া জেলা প্ৰশাসন যখন অনুমতি প্ৰদান করবে তখন আয়োজক সমিতি থেকে পদাধিকারী, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, পুরোহিতদের নিদেনপক্ষে কোভিড প্ৰতিষেধকের প্রথম ডোজ গ্ৰহণ করা হয়েছে কিনা তা রেনডম চেকিঙের মাধ্যমে সুনিশ্চিত করতে হবে। অন্যথা অনুমতি দেবে না প্রশাসন। কমপক্ষে এক ডোজ কোভিড প্ৰতিষেধক গ্রহণকারীরাই পূজামণ্ডপে ঠকুর দৰ্শনের জন্য প্রবেশ করতে পারবেন। প্ৰতিষেধকের কোনও ডোজ নেননি এমন ১৮-ঊর্ধ্ব কেউই পূজামণ্ডপ বা পূজাস্থলে প্ৰবেশ করতে পারবেন না। তবে অনূর্ধ্ব ১৮-দের জন্য এই নিয়মে রেহাই দেওয়া হয়েছে।

প্ৰত্যেক পূজার আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক এবং পুরোহিতদের ক্ষেত্ৰে পূজা শুরু করার আগে পঞ্চমীর দিন কোভিড পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। একাদশীর দিন প্ৰতিমা নিরঞ্জনের পর পরও সংশ্লিষ্ট প্ৰত্যেককে আবার কোভিড পরীক্ষা করানোকে জরুরি বলে নয়া বিধিতে বলা হয়েছে।

পূজামণ্ডপের অন্তর্ভাগ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য যে সকল নিয়মাবলি বেঁধে দেওয়া হয়েছে সেগুলো, আয়োজক বা পূজা সমিতিগুলোকে কোভিড প্ৰতিষেধকপ্রাপ্ত যথেষ্টসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে নিয়োজিত করতে হবে। দৰ্শনাৰ্থীদের অবশ্য মুখে মাস্ক পরিধান করা, হাত স্যানিটাইজ করা এবং ন্যূনতম শারীরিক ব্যবধান রক্ষা করা হবে বলে স্বেচ্ছাসেবকরা সুনিশ্চিত করবেন। এছাড়া তাঁরা নিজেরাও এই বিধি মেনে চলবেন।

অঞ্জলি প্রদান, প্ৰসাদ বিতরণ, সান্ধ্যারতির ক্ষেত্ৰেও কোভিড প্ৰটোকল রক্ষা করে অতি কমসংখ্যক ভক্তদের নিয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে ওই সব পৰ্ব সম্পাদন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মণ্ডপের ভিতরে দৰ্শনাৰ্থীরা যাতে এক স্থানে অবস্থান না করে, এক সারিতে একই দিশায় এগিয়ে যেতে থাকেন তা স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে আয়োজকরা তা নিশ্চিত করবেন।

‘কম করে এক ডোজ কোভিড প্ৰতিষেধকপ্রাপ্ত দর্শনার্থীদের জন্য পূজামণ্ডপে প্ৰবেশের অনুমতি’ শীৰ্ষক ফলক মণ্ডপের চতুর্দিকে সাঁটতে হবে। তাছাড়া, দৰ্শনাৰ্থী, আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক সহ সবাইকেই মাস্ক পরিধান এবং পূজাস্থল বা মণ্ডপের প্ৰবেশপথে হ্যান্ড সেনিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে নয়া এসওপিতে। বলা হয়েছে, প্ৰতিদিন দৰ্শনাৰ্থীদের প্ৰবেশের আগে এবং রাতে প্ৰবেশ বন্ধ করা হওয়ার পর আয়োজকদের পূজাস্থল বা মণ্ডপকে দুবার করে ভালো করে স্যানিটাইজ করতে হবে।

পূজার দিনগুলিতে ভক্ত-দৰ্শনাৰ্থীদের আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে অসম রাজ্য দুৰ্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএসডিএমএ) কর্তৃক জারিকৃত কারফিউয়ের সময়সীমা সকলকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে। পূজামণ্ডপগুলি দৰ্শনাৰ্থীদের জন্য খোলা রাখার জন্য রাজ্য দুৰ্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিৰ্ধারিত সময়সীমা সব আয়োজক বা পূজা সমিতিকে কঠোরভাবে মেননে চলতে হবে। রাতে নিৰ্ধারিত সময়ে পূজামণ্ডপের প্ৰবেশদ্বার বন্ধ করে আয়োজক সমিতি সেদিনের কাৰ্যসূচি সমাপন হয়েছে বলে জেলা প্ৰশাসন সুনিশ্চিত করবে।

পূজায় সাংস্কৃতিক কাৰ্যসূচি ইত্যাদি বিষয়েও প্ৰযোজ্য হবে কিছু নিয়মাবলি। সেগুলি যথাক্রমে রাজ্য দুৰ্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ প্ৰকাশ্য জনসমাগমের ব্যাপারে যে নিৰ্দেশনা জারি করেছে, সে অনুযায়ী দুৰ্গাপূজার আগে ও পরে বা পূজার কয়েকদিন সাংস্কৃতিক-সন্ধ্যা ইত্যাদি কাৰ্যসূচি আয়োজনে কঠোর বাধানিষেধ প্ৰযোজ্য হবে। এছাড়া আয়োজক সমিতি কিংবা অন্য কেউ পূজাস্থলের বাইরে বা সংলগ্ন কোনও স্থানে মেলা ইত্যাদির আয়োজন করা চলবে না। তাছাড়া পূজামণ্ডপের নিকটবর্তী রাস্তায় দোকান ইত্যাদি খুলতে হলে জেলা প্ৰশাসনের কাছ থেকে অগ্রিম অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। তবে কোভিড বিধি কাৰ্যকর করেই অনুমতি দেবে সংশ্লিষ্ট প্ৰশাসন।

পূজামণ্ডপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্ৰতিমা নিরঞ্জন সম্পৰ্কীয় যে সব নিয়মাবলি, সেগুলো আয়োজক সমিতি কোভিড প্ৰটোকল রক্ষা করে দুৰ্গাপূজা মণ্ডপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্ৰতিমা নিপঞ্জন পৰ্ব অতি সাধারণ ভাবে সম্পন্ন করবে। সম্ভব হলে ভাৰ্চুয়াল পদ্ধতিতে মণ্ডপ উদ্বোধন করাকে সুরক্ষিত বলে এসওপিতে বলা হয়েছে। রাজ্য দুৰ্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমতি সাপেক্ষে সীমিত সংখ্যক মানুষ তুলতে পারেন, এমন আকারের প্ৰতিমা (ছোট আকার) গড়তে বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। এছাড়া প্ৰতিমা নিরঞ্জনের জন্য ঘাটগুলোকে আগে থেকে স্যানিটাইজ করে রাখা এবং আয়োজক সমিতিকে মণ্ডপ থেকে প্ৰতিমা বের করে নিরঞ্জনঘাটের যাত্রাপথে কোথাও থামা যাবে না। মণ্ডপ থেকে বিরতিহীন যাত্রা করে নিৰ্দিষ্ট ঘাটে গিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন করতে বলা হয়েছে।

প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য জেলা প্ৰশাসন অগ্রিম যথোচিত পরিকল্পনা প্ৰস্তুত করে প্ৰত্যেক আয়োজক সমিতিকে আগেভাগে নিরঞ্জনের সময় নিৰ্ধারণ করে দেবে। পূজামণ্ডপের সংখ্যার ওপর নিৰ্ভর করে প্ৰয়োজন বোধে নিরঞ্জন পৰ্ব দু-দিন অথবা ততোধিক দিনে সম্পন্ন করার জন্য অগ্রিম সিদ্ধান্ত নেবে প্ৰশাসন। এছাড়া পূজা আয়োজক সমিতিগুলোর জন্য রাজ্য দুৰ্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ধাৰ্য করা সীমিতসংখ্যক ভক্ত প্ৰতিমা নিরঞ্জনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তাছাড়া নিরঞ্জনস্থলে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক এবং শ্ৰমিক, সকলকে কোভিড প্ৰতিষেধক প্রাপ্ত হতে হবে।

ছাপা ও বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের প্ৰতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দুৰ্গাপূজার দিনগুলিতে কোভিড প্ৰটোকল মেনে চলা এবং কোভিড প্ৰতিষেধক গ্ৰহণের প্ৰয়োজনীয়তার বিষয়ে জনসজাগতা বাড়াতে সর্বক্ষণ প্ৰচার করলে জনসাধারণ উপকৃত হবেন। পূজামণ্ডপের ভিতরে বা পূজাস্থলে অনাবশ্যক এবং মাত্ৰাধিক জনসমাগম, ভিড় সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে জনসাধারণকে সজাগ থাকার প্ৰয়োজনীয়তার বিষয়ে প্রচার চালাতে ছাপা, বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের প্ৰতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পূজার দিনগুলিতে এবং প্ৰতিমা নিরঞ্জনের সময় গুজব, ভুল তথ্য প্রচার বা অপপ্ৰচার থেকে সকলকে বিরত থাকার পাশাপাশি কোনও ধরনের গুজব, অপপ্ৰচার ইত্যাদিতে বিশ্বাস না করে স্বতোঃপ্রণোদিত ভাবে তথ্য সুনিশ্চিত করতে উৎসাহিত করতে প্ৰচারের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending