Connect with us

উত্তর-পূর্ব

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ নির্বাচিত রতন চক্রবর্তী

Published

on

আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর : ত্রিপুরা বিধানসভার নয়া অধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিধায়ক রতন চক্রবর্তী। তিনি ত্রিপুরা বিধানসভার চতুর্দশ অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার সামলাবেন। আজ শুক্রবার দ্বাদশ বিধানসভার দশম অধিবেশনের শুরুতেই উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন অধ্যক্ষ নির্বাচন পর্ব শুরু করেন। নিরবাচন পর্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রতন চক্রবর্তীকে অধ্যক্ষ হিসেবে ঘোষণা করেন উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন।

উপাধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু বলেন, অধ্যক্ষ নির্বাচনে তিনটি প্রস্তাব জমা পড়েছে। প্রথম প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এবং রাজস্বমন্ত্রী এনসি দেববর্মা এই প্রস্তাবে সমর্থন করেছেন। দ্বিতীয় প্রস্তাব দিয়েছেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা। সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছেন জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া। তৃতীয় প্রস্তাব দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী রতনলাল নাথ। তাঁর প্রস্তাবে সমর্থন করেছেন সরকারি মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়।

উপাধ্যক্ষ বিধানসভায় অধ্যক্ষ নির্বাচনের প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য বললে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী রতনলাল নাথ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বিধায়ক রতন চক্রবর্তী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী, উপ-মুখ্যমন্ত্রী সহ মন্ত্রিসভা এবং ট্রেজারি বেঞ্চের সদস্যরা নবনির্বাচিত অধ্যক্ষকে তাঁর আসন পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

অধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়ে রতন চক্রবর্তী বিধানসভার সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি বিধানসভা পরিচলনায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। নবনির্বাচিত অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী বলেন, গণতন্ত্রের পীঠস্থান বিধানসভায় সকল সদস্যই জনগণের কল্যাণ কামনা করেন। রাজ্যের উন্নয়নের পাশপাশি জনগণের সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য লড়াই করেন। তাই, গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে জনকল্যাণ এবং ত্রিপুরার উন্নয়ন নিশ্চিত করার আবেদন জানান তিনি। তাঁর মতে, বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চ এবং বিরোধীরা সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিধানসভা পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন নতুন অধ্যক্ষ।

ত্রিপুরা বিধানসভায় নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়ায় রতন চক্রবর্তীকে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, সংসদীয় রাজনীতিতে আপনার অভিজ্ঞতা ত্রিপুরা বিধানসভাকে সমৃদ্ধ করবে। এদিন বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার অধ্যক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পদ্ধতি অনুযায়ী বিরোধী দলের সহযোগিতা আপনি পাবেন। সাথে তিনি যোগ করেন, পদের মর্যাদা নিয়ে সজাগ সচেতন থেকে দায়িত্ব পালন করবেন বলে বিশ্বাস করি আমরা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending