Connect with us

উত্তর-পূর্ব

পশ্চিমবঙ্গে পরিবার পিছু ২.৪ লক্ষ টাকা ঋণের বোঝা চাপিয়েছে তৃণমূল সরকার, বাতিল করেছে সাড়ে পাঁচ লক্ষ সরকারী পদ, তবু উন্নয়নের স্বপ্ন ফেরি ত্রিপুরায়, কটাক্ষ শিক্ষামন্ত্রীর

Published

on

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর সরকারি দফতরে সাড়ে পাঁচ লক্ষ পদ বাতিল করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন পর্যন্ত ৬ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তাতে, পশ্চিমবঙ্গবাসীর পরিবার পিছু ঋণের বোঝা চেপেছে ২৪০০০০ টাকা। অথচ, তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গের কান্ডারীরা ত্রিপুরায় এসে উন্নয়নের স্বপ্ন ফেরি করছেন।

বাস্তবের মাটিতে পা না দিয়ে ত্রিপুরাবাসী-কে বিভ্রান্ত করছেন। আজ সচিবালয়ে এভাবেই তৃণমূল সরকারের অপশাসনের ফিরিস্তি তুলে ধরলেন ত্রিপুরার আইন ও শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তাঁর কটাক্ষ, পশ্চিমবঙ্গে বেকারদের সর্বনাশ করে এবং সাধারণ মানুষের ঘাড়ে ঋণের বোঝা ছাপিয়ে ত্রিপুরার জন্য তৃণমূলের নেতাদের মায়াকান্না হচ্ছে।

আজ রতন বাবু বলেন, ত্রিপুরায় সম্প্রতি তৃণমূল নেতাদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। তাতে আমাদের আপত্তি নেই, কিন্ত নিজেদের অপশাসন ঢাকতে তৃণমূল ত্রিপুরাবাসীকে বিভ্রান্ত করছে। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর সরকারি দফতরে সাড়ে পাঁচ লক্ষ পদ বাতিল করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, বেকারদের ভবিষ্যত নিয়ে তাঁরা ছিনিমিনি খেলেছেন।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থানে তৃণমূল নজীর স্থাপন করেছে। কারণ, দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয় শিক্ষদের ৮৭ হাজার পদ, কলকাতা পুলিশে ৪৫ হাজার পদ, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ৭৫ হাজার পদ, অগ্নি নির্বাপক দফতরে ৬৩০০ পদ, খাদ্য দফতরে ১২ হাজার পদ, স্বাস্থ্য দফতরে ২৩ হাজার পদ, লাইব্রেরিয়ান ৩৭০০ পদ এবং গ্রুপ-ডি ১ লক্ষ ৩৯ হাজার পদে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ঋণের পরিমাণ ৬ লক্ষ কোটি টাকা। ফলে, জনসংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গবাসীর পরিবার পিছু ঋণের বোঝা ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। অথচ, ওই তৃণমূল ত্রিপুরাবাসীকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন ফেরি করছে, কটাক্ষের সুরে বলেন তিনি।

তাঁর দাবি, ত্রিপুরায় দেখানো তৃণমূলের স্বপ্নের সাথে বাস্তবের মিল খোজে পাওয়া মুসকিল। কারণ, তৃণমূল নেতৃত্ব ত্রিপুরাবাসীকে বিভ্রান্ত করছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোন প্রকল্পের অডিট হয় না। তৃণমূল সরকার এখন পর্যন্ত বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করেনি।

ফলে, একের পর প্রকল্পের সূচনা হলেও বাস্তবে কতজন তাতে উপকৃত হচ্ছেন তা কারোর পক্ষে জানা সম্ভব নয়। এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরাবাসী অনেক সজাগ এবং রাজনৈতিকভাবে সচেতন। তাই, তৃণমূলের বুজরুকি সকলেই বুঝে যাচ্ছেন।

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending