Connect with us

জাতীয়

নিয়োগ নীতি উপেক্ষা করে চাকুরীর নির্দেশ দেওয়া বেআইনি, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের আবেদন খারিজ করে রাজ্য সরকারের নীতিকেই সিলমোহর উচ্চ আদালতের

Published

on

আগরতলা, ১৬ আগস্ট: চাকুরী ফিরে পাওয়ার শেষ ভরসা অবশেষে রইল না। উচ্চ আদালতের রায়ে চাকুরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষকদের আবেদন খারিজ হয়ে গেছে। তাতে, নিয়োগ নীতি উপেক্ষা করে চাকুরীর নির্দেশ দেওয়া বেআইনি, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের আবেদন খারিজ করে রাজ্য সরকারের নীতিকেই সিলমোহর দিল উচ্চ আদালত। আদালতের বক্তব্য, অসাংবিধানিকভাবে রাজ্য সরকারকে চাকুরীতে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, সংবিধানের ২২৬ ধারা মোতাবেক তা বেআইনি হবে। প্রসঙ্গত, গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগনীতি উপেক্ষা করে চাকুরী প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেছিলেন চাকুরিচ্যুত তিন জন শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ সাহা, রাজীব দাস এবং অরুন ভৌমিক। আদালত তাঁদের আবেদন বেআইনি বলে খারিজ করে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারপতি অরিন্দম লোধ রায়ে আরো বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত নতুন করে রায় দিতে পারে না।

প্রসঙ্গত, ভুল নিয়োগ নীতির কারণে ২০১৪ সালে ১০৩২৩ জন শিক্ষকের চাকুরী বাতিল করেছিল ত্রিপুরা হাই কোর্ট। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্য সরকার সুপ্রিমে কোর্টের দ্বারস্ত হয়েছিল। কিন্ত, সুপ্রিম কোর্ট দীর্ঘ শুনানি শেষে উচ্চ আদালতের রায় বহাল রেখেছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজ্য সরকার ও চাকুরিচ্যুত শিক্ষকরা ওই ১০৩২৩ জন শিক্ষকের চাকুরী বাতিল না করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নেড়েছিল। কিন্ত, সর্বোচ্চ আদালত শুধু মাত্র ৩১ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত এডহক ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগে অনুমতি দিয়েছিল।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর নতুন সরকারও সুপ্রিম কোর্টে তাঁদের চাকুরী বাঁচানোর বহু চেষ্টা করেছে। কিন্ত, সর্বোচ্চ আদালত রায় বদল করেনি। এমনকি চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের নতুন চাকুরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিল। কিন্ত, এক্ষেত্রেও আদালত শুধু বয়সে ছাড় দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। রাজ্য সরকার সম্প্রতি গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ওই পদে নিয়োগনীতি উপেক্ষা করে চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়ার জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন তিন চাকুরিচ্যুত শিক্ষক। আদালত তাঁদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

ত্রিপুরা হাই কোর্টের বিচারপতি অরিন্দম লোধ রায়ে স্পষ্ট বলেছেন, আদালত কখনই কোন রাজ্য সরকারকে নিয়োগ নীতি উপেক্ষা করে নিয়োগের নির্দেশ দিতে পারে না। কারণ, সংবিধানের ধারা ২২৬ মোতাবেক তা বেআইনি হবে। তাছাড়া, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে হাই কোর্টের নতুন আদেশ জারি করার এক্তিয়ার নেই। ত্রিপুরা হাই কোর্ট চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের আবেদন খারিজ করে দেন। তাতে, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের শেষ ভরসাও আর রইল না। এক্ষেত্রে ১০৩২৩ জন শিক্ষকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের নীতিকেই সিলমোহর দিয়েছে উচ্চ আদালত।

এদিকে, ত্রিপুরা হাইকোর্টের ওই রায়ে সাফ হয়ে গেছে, চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের কোনভাবেই নিয়োগ নীতি উপেক্ষা করে নিয়োগ সম্ভব নয়। অথচ, বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সম্পুর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলনের নামে ব্যবহার করে চলেছে। রাজনৈতিক স্বার্থে তাঁদের রাস্তায় নামানো হচ্ছে। অগণতান্ত্রিক ওই আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিগড়ে যাচ্ছে। ফলে, বাধ্য হয়ে পুলিশের বল প্রয়োগ করতে হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়

মহিলা নয়, পুরুষদের সহায়ক বোরখা: তসলিমা

Published

on

By

নয়াদিল্লি: মহিলাদের শরীর ঢাকা হয় বোরখার মাধ্যমে। যাতে তাঁদের সম্ভ্রম বজায় থাকে। কিন্তু বোরখার দ্বারা কোনও উপকার হয় না মহিলাদের। উলটে পুরুষেরা উপকৃত হচ্ছে বোরখার মাধ্যমে। এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে দিলেন জোরাল যুক্তি।

ইসলামিক রেওয়াজ এবং ইসলাম নিয়ে বরাবরই সরব হয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। যে কোনও ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেলেও ইসলামের বিরুদ্ধে যেন তাঁর বিদ্বেষ একটু বেশি। যা বিভিন্ন সময়ে ফুটে উঠেছে তাঁর লেখা এবং বক্তব্যে। তেমনই এবার বোরখার বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেল লজ্জার লেখিকাকে।

বোরখা হলো মহিলাদের এক ধরনের বহিরাঙ্গিক পোশাক যা সারা শরীর ঢেকে রাখে। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী পর্দা বজায় রাখার স্বার্থে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারীরা ঘরের বাইরে, বিশেষ করে পুরুষমহলে, যাওয়ার সময় এটি পরিধান করে থাকেন।

কর্ণাটকের হিজাব নিয়ে বিতর্কের রেশ না কাটতেই শনিবার বোরখার অপকারিতা নিয়ে সরব হলেন তিনি। তসলিমা দাবি করেছেন যে বোরখার সাহায্যে মহিলার কোনও উপকার হয় না। উলটে পুরুষেরা বোরখা ব্যবহার করে অনৈতিক কাজ করে থাকে। সেই কারণেই বাংলাদেশের পুরুষেরা বোরখাকে বাধ্যতামূলক করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

টুইট করে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের পুরুষরা বোরখা বাধ্যতামূলক করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বোরকা নারীদের তুলনায় পুরুষদের অনেক বেশি সাহায্য করে। পুরুষরা তাদের মুখ লুকিয়ে রাখতে পারে। সেই সঙ্গে চুরি হওয়া জিনিসপত্র, বোরখার নিচে অবৈধ মাদক লুকিয়ে পাচার করতেও পারে।” সেই সঙ্গে তসলিমা আরও জানিয়েছেন যে বোরখা নারীদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করতে পারে না।

Continue Reading

জাতীয়

উপাচার্যকে গালি তৃণমূলের, বিক্ষোভে বিজেপি

Published

on

By

Aliah University

কলকাতা: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে মা তুলে অশ্রাব্য গালি তৃণমূলের ছাত্রনেতার। সেই সঙ্গে হত্যার হুমকি দেওয়া হল ওই উপাচার্যকে। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নিয়ে। অভিযুক্ত যুবক এখন আর দলে নেই বলে দায় এড়াল তৃণমূল।

চেয়ারে বসে রয়েছেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহম্মদ আলি। তাঁকে ঘিরে রয়েছে জনা কয়েক বিক্ষুব্ধ ছাত্র। যারা অত্যন্ত কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করে চলেছে উপাচার্যকে। যাদের নেতৃত্বে রয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা গিয়াসুদ্দিন মন্ডল। প্রথমে চড় মারার হুমকি, তারপরে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হল। ফোন আটকে রেখে ছাত্রদের পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তুলল ওই ছাত্ররা।

শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী বিজেপি। রবিবার সকালে উপাচার্যের হেনস্থার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। সেই বিক্ষোভ থেকে দাবি উঠল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের। সেই সঙ্গে আচার্য হিসেবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপ করার দাবিও তুললেন বিজেপি হুগলী জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার।

অভিযুক্ত গিয়াসুদ্দিনের সঙ্গে এখন সংগঠনের আর কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গিয়াসুদ্দিনের ওই কীর্তিকে দল সমর্থন করে না বলেও দাবি করেছে ঘাস ফুল শিবির। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য ফেসবুকের দেওয়ালে লিখেছেন, “ভিডিওটা দেখে গা গুলিয়ে উঠল। বমি পাচ্ছে! আসে পাশে গভীর পচন ধরেছে। শিক্ষাগুরু সম্পর্কে এমন ভাষা! কল্পনাও কি করা যায়? ছিঃ! অনতিবিলম্বে শিক্ষক, শিক্ষিকাদের হাতে লাঠি, বেত ফিরে আসা খুব প্রয়োজন…”

Continue Reading

জাতীয়

বাম-তৃণমূলের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে কেরল-বাংলা

Published

on

By

ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে পড়েহে রাবনের রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। খালি হয়ে গিয়েছে রাজ কোষ। ঋণ দিচ্ছে না কেউ। সরকারি ঘোষণা করে দিনের মধ্যে সাড়ে সাত ঘণ্টা বন্ধ রাখা হচ্চে বিদ্যুৎ পরিষেবা। রাষ্ট্রকে সচল রাখতে ভারতের থেকে জ্বালানী সাহায্য নিতে হয়েছে। এক দিনে যে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি তা বলাই বাহুল্য। আর পড়শি রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার এই প্রতিকূলতা যেন সিঁদুরে মেঘ পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলের কাছে।

কেরলে পর্যটন ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বড় কোনও উৎস নেই। উৎপাদন শিল্প নেই বললেই চলে। শ্রীলঙ্কার কায়দাতেই সরকার পরিচালিত হয় কেরল রাজ্যে। আকর্ষণীয় মিল রয়েছে কাছাকাছি থাকা ভারতের রাজ্য এবং পড়শি রাষ্ট্রের। দুই ক্ষেত্রেই উৎপাদন শিল্প এবং উচ্চ-পর্যায়ের পরিষেবার অভাব রয়েছে। সেই সঙ্গে আয়ের বড় উৎস পর্যটনের যোগ্য নেতৃত্ব নেই। এমনকি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আমদানি করা হয়। সরকার চালাতে বিপুল ঋণ নিতে হয়। রেমিট্যান্স নির্ভরতা শ্রীলঙ্কার জটিলতার বড় কারণ। যা দেখে অনেকেই বলছেন যে শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকট অবশ্যই ‘কেরালা মডেল’ প্রবক্তাদের জন্য একটি নম্র অভিজ্ঞতা হবে।

ভারতের মতোই সাত দশক আগে শ্রীলঙ্কা ঔপনিবেশিক শাসনমুক্ত হয়েছে। সিংহলি বিত্তশালী ব্যক্তিরা বরাবর চেয়েছেন ঔপনিবেশিক স্থিতাবস্থা টিকে থাকুক সমাজে। ভূরাজনৈতিক স্বার্থে কিছু ‘দাতা’ সিংহলি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের রাষ্ট্রক্ষমতায় মদদত দিতে দিতে ওই স্থিতিশীলতার ভেতর প্রায় রাজতন্ত্র কায়েম করে দিয়েছে। এই নব্য রাজপরিবার আয়-ব্যয়ের জরুরি হিসাব ছাড়াই বিশাল বিশাল বন্দর, রাস্তা, ভবন বানিয়ে জনগণকে মোহাচ্ছন্ন রাখার কৌশল নিয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে পূর্বাপর বিবেচনাহীন এ উন্নয়ন-নীতির শিকার শ্রীলঙ্কা।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও বিষয়টা খানিকটা একই রকমের। সুন্দর করে সাজানো হয়েছে শহর থেকে গ্রাম। অনেক সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে মানুষকে। সেই প্রকল্পের জন্য ঋণ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উৎপাদন শিল্পের দেখা নেই। যার কারণে নতুন করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী হওয়ার উপায় নেই। শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রাজ কোষ ভরে উঠতে পারে। সেদিকে নজর দিচ্ছে না তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। যার জেরে অদূর ভবিষ্যতে শ্রীলঙ্কার মতোই দড়াবস্থার মুখোমুখী হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ।

শ্রীলঙ্কা বৈদেশিক মুদ্রা খরচ না করে ডলারের বিপরীতে নিজেদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন করেছে শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংক, শ্রীলঙ্কার মুদ্রার বিপরীতে ক্রমাগত ডলারের দাম বাড়ায় পণ্য আমদানি কমে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষে শ্রীলঙ্কান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ মাত্র ৭৩৪ মিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। কিন্তু চলতি বছরেই দেশটিকে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও সুদ পরিশোধ করা লাগবে। দেশটির বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গেছে যে মোটা অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না।

দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনের বেশির ভাগই গ্যাস ও তেলনির্ভর। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী তেল-গ্যাস না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। হাতে থাকা ডলারগুলো ধরে রাখতে সরকার বহু পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে বাজারে সেসব পণ্যের দাম গেছে বেড়ে। শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির একটি উৎস পর্যটন। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধানতম এ খাত থেকে আয় কমে গিয়েছিল। প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সও কমেছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঋনের চাপে জর্জরিত হয়ে রয়েছে। যার কারণে অনেক সরকারি নিয়োগ বন্ধ হয়েছে। সামাজিক ভাতায় খরচ করতে গিয়ে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে না। খনি এবং বন্দর নির্ভরতার জেরে অর্থনীতি টিকে থাকলেও বৃদ্ধি নেই। উলটে খরচ বাড়ছে। এই অবস্থায় শ্রীলঙ্কাকে দেখে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন বলেই মনে করছেন অনেকে। ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় হয়তো শ্রীলঙ্কার মতো অবস্থা হবে না বাংলা বা কেরলের। কিন্তু জটিলতা কিছু কম হবে না।

Continue Reading

Trending