Connect with us

Category Template – Default PRO

Published

on

[tdc_zone type=”tdc_content”][vc_row tdc_css=”eyJhbGwiOnsibWFyZ2luLXRvcCI6IjIyIiwiZGlzcGxheSI6IiJ9fQ==”][vc_column][tdb_breadcrumbs tdicon=”td-icon-right” show_home=”yes”][tdb_title][tdb_category_description tdc_css=”eyJhbGwiOnsibWFyZ2luLXRvcCI6Ii01IiwiZGlzcGxheSI6IiJ9fQ==”][td_block_big_grid_flex_2 meta_info_vert=”content-vert-bottom” image_zoom=”yes” show_author2=”none” show_date2=”none” modules_category=”above” overlay_general=”eyJ0eXBlIjoiZ3JhZGllbnQiLCJjb2xvcjEiOiJyZ2JhKDAsMCwwLDApIiwiY29sb3IyIjoicmdiYSgwLDAsMCwwLjcpIiwibWl4ZWRDb2xvcnMiOlt7ImNvbG9yIjoicmdiYSgwLDAsMCwwKSIsInBlcmNlbnRhZ2UiOjYwfV0sImNzcyI6ImJhY2tncm91bmQ6IC13ZWJraXQtbGluZWFyLWdyYWRpZW50KDBkZWcscmdiYSgwLDAsMCwwLjcpLHJnYmEoMCwwLDAsMCkgNjAlLHJnYmEoMCwwLDAsMCkpO2JhY2tncm91bmQ6IGxpbmVhci1ncmFkaWVudCgwZGVnLHJnYmEoMCwwLDAsMC43KSxyZ2JhKDAsMCwwLDApIDYwJSxyZ2JhKDAsMCwwLDApKTsiLCJjc3NQYXJhbXMiOiIwZGVnLHJnYmEoMCwwLDAsMC43KSxyZ2JhKDAsMCwwLDApIDYwJSxyZ2JhKDAsMCwwLDApIn0=” image_height2=”eyJsYW5kc2NhcGUiOiIxNzNweCIsInBob25lIjoiMTY1cHgiLCJwb3J0cmFpdCI6IjEzM3B4In0=” image_height1=”eyJwaG9uZSI6IjI2MHB4IiwibGFuZHNjYXBlIjoiMzUwcHgiLCJwb3J0cmFpdCI6IjI3MHB4In0=” modules_gap=”eyJwaG9uZSI6IjMifQ==” meta_padding2=”eyJsYW5kc2NhcGUiOiIxNnB4IDE1cHggMTFweCIsInBvcnRyYWl0IjoiMTZweCAxNXB4IDExcHgiLCJwaG9uZSI6IjE2cHggMTVweCAxMXB4In0=” meta_padding1=”eyJwaG9uZSI6IjE1cHggMThweCJ9″ cat_bg_hover=”#4db2ec” review_stars=”#fff” image_size2=”td_324x400″ image_size=”” image_width1=”eyJwaG9uZSI6IjEwMCJ9″ image_width2=”eyJwaG9uZSI6IjgwIn0=” category_id=”_current_cat” mf6_title_tag=”h2″][/vc_column][/vc_row][vc_row el_class=”td-ss-row”][vc_column width=”2/3″][tdb_loop modules_on_row=”eyJhbGwiOiI1MCUiLCJwaG9uZSI6IjEwMCUifQ==” modules_gap=”eyJsYW5kc2NhcGUiOiI0MCIsInBvcnRyYWl0IjoiMjgifQ==” modules_category=”image” show_excerpt=”none” show_btn=”none” ajax_pagination=”numbered” limit=”12″ video_icon=”eyJwb3J0cmFpdCI6IjI0In0=” offset=”5″][/vc_column][vc_column width=”1/3″ is_sticky=”yes”][td_block_ad_box spot_id=”sidebar” spot_title=”- Advertisment -” media_size_image_height=”500″ media_size_image_width=”600″ spot_img_horiz=”content-horiz-center” tdc_css=”eyJhbGwiOnsibWFyZ2luLWJvdHRvbSI6IjQ4IiwiZGlzcGxheSI6IiJ9fQ==”][td_flex_block_1 modules_on_row=”eyJwb3J0cmFpdCI6IjEwMCUiLCJwaG9uZSI6IjEwMCUifQ==” image_size=”” image_floated=”float_left” image_width=”30″ image_height=”70″ show_btn=”none” show_excerpt=”none” show_com=”none” show_author=”none” show_cat=”none” meta_padding=”eyJhbGwiOiIwIDAgMCAxNnB4IiwicG9ydHJhaXQiOiIwIDAgMCAxM3B4In0=” f_title_font_size=”eyJhbGwiOiIxNCIsInBvcnRyYWl0IjoiMTIifQ==” f_title_font_line_height=”1.4″ f_title_font_weight=”500″ all_modules_space=”eyJwb3J0cmFpdCI6IjIwIiwicGhvbmUiOiIyNiIsImFsbCI6IjI2In0=” category_id=”” modules_gap=”eyJwb3J0cmFpdCI6IjIwIn0=” show_date=”” custom_title=”Most Read” ajax_pagination=”” sort=”” f_header_font_transform=”uppercase” video_icon=”24″ limit=”4″][/vc_column][/vc_row][/tdc_zone]

Continue Reading

ত্রিপুরা

পশ্চিম জেলা সব সমগ্র রাজ্যে করোনা সংক্রমন গ্রাফ – ক্রমশ নিন্মমুখী

Published

on

By

বর্বত্র করোনা সংক্রমনের বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই, সময়োপযোগী সঠিক ব্যবস্থাপনায় করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে তরাজ্যে।  বিভিন্নস্থানে যখন লাগামহীন বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার, ঠিক তখনই ত্রিপুরায় উল্লেখযোগ্য ভাবে, করোনা সংক্রমন নিম্নমুখী। গত কয়েকদিনের করোনা সংক্রমনের তথ্য থেকে তা স্পষ্ট। গত ১৭ জানুয়ারি রাজ্যব্যাপি করোনা সংক্রমনের হার ছিল ১৪.৮৬ শতাংশ। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় এই সংক্রমণের হার ছিল ১৮.৫৫ শতাংশ। কিন্তু মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানেই, ২১ জানুয়ারির করোনা রিপোর্ট অনুসারে রাজ্যব্যাপি করোনা সংক্রমনের হার প্রায় ৩.৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১১.১৬ % ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সংক্রমণের হার প্রায় ৭.৫ % কমে দাঁড়িয়েছে ১১.২৬ শতাংশ l একদিকে যেমন নেমে আসছে সংক্রমিত সংখ্যা, অন্যদিকে বাড়ানো হয়েছে করুণা পরীক্ষার হার। করোনা পরীক্ষাসংক্রান্ত সহজাত প্রবৃত্তি হলো, পরীক্ষার বা টেস্টিং এর সংখ্যা যতটা বাড়ে, ততই পজিটিভিটি রেটও বাড়তে থাকে। কিন্ত ত্রিপুরার ক্ষেত্রে করোনা পরীক্ষা বা টেস্ট এই সংখ্যা বাড়লেও, উল্টো কমেছে পজিটিভিটি রেট। রাজ্য সরকারের সমযয়োপযোগী ব্যবস্থাপনার ফলে ত্রিপুরাতে এখনো পর্যন্ত ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণের খবর নেই l কোভিডের প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকাকরণের সাফল্যের স্থাপনেই আত্ম সন্তুষ্টিতে ভোগেনি ত্রিপুরা সরকার l গোটা দেশের সামনে আরও এক নজির স্থাপন করে, টিকাকরনের আওতায় না আসা ১৮ বছরের নিচে ছেলেমেয়েদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব অসুস্থ কৈশোর প্রকল্প এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে । এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল, বিভিন্ন রোগ প্রদুর্ভাব থেকে এই বয়সের ছেলেমেয়েদের রক্ষা ও মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা l বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুসারে করোনা সংক্রমণ প্রতিহত করা বা সংক্রমিত ব্যক্তিদের এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করার অন্যতম শর্ত হচ্ছে দৈহিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা l অল্প সময়ের মধ্যেই রাজ্য সরকার মিশন মুডে এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্দিষ্ট বয়স সীমার প্রায় সমস্ত ছেলেমেয়েদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসে l পরবর্তী সময়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রান্তিক এই রাজ্যের পদক্ষেপ অনুসরণ করেছে বিভিন্ন রাজ্যগুলিও l স্বাস্থ্যকর্মীরা যেভাবে পাহাড়, নদী, নালা অতিক্রম করে এমনকি ফসলের জমিতে পর্যন্ত গিয়ে মানুষকে টিকাকরণের আওতায় নিয়ে এসেছে তা গোটা ভারতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে l সম্প্রতি ১৫ থেকে @৮ বছরের মধ্যবর্তী ছেলেমেয়েদের টিকাকরণের অল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে ত্রিপুরায় l ১৯ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত মিশন মুডে রাজ্য সরকারের গৃহীত উদ্যোগে, এই বয়সের ছেলেমেয়েদের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচির ফলে অধিকাংশ স্কুল নির্দিষ্ট বয়সের ছেলেমেয়েদের টিকাকরণ সম্পন্ন করে নিয়েছে l এই টিকাকরণ কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব l বলা বাহুল্য, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বিভিন্ন উন্নত রাজ্যগুলি যখন হিমশিম খাচ্ছে ঠিক তখনই, ত্রিপুরার স্বাস্থ্য মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের দিশা নির্দেশে, সাফল্যের ইতিবাচক নজির রাখছে ত্রিপুরা সরকার। করোনার প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকাকরনের সাফল্যের দৃষ্টান্ত রেখেছিল ত্রিপুরা। টিকাকরণ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়ন, সঠিক ব্যবস্থাপনা, সবেতেই সময়ের আগে উদ্যোগ নিয়েছিলো ত্রিপুরা সরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য দপ্তরের ওপর দায় ভার ছেড়ে না দিয়ে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে সরজমিনে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে গোটা রাজ্য চষে বেরিয়েছেন, তারই ফলশ্রুতিতে ত্রিপুরা এই সাফল্যের নজির স্থাপন করেছে । সম্প্রতি রাজ্যের সমস্ত ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। রাজ্যে গড়ে উঠেছে বাইশটি অক্সিজেন প্লান্ট। যা কোভিড রোগীদের সহায়তার পাশাপাশি গতানুগতিক চিকিৎসা পরিষেবাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ অক্সিজেন প্লান্ট হতে চলেছে ত্রিপুরায়।  গত ১৬ জানুয়ারি তথ্য অনুসারে  করোনা সংক্রমন থেকে মুক্তি পেয়ে সুস্থ হয়েছিলেন ১৪৩ জন। এক্ষেত্রেও মিলেছে সাফল্য। করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা যথাক্রমে ১৭ জানুয়ারি ৪৯২ জন l ক্রমান্বয়ে ২০ জানুয়ারি ৮৭২ জন সুস্থ হয়েছেন l এক কথায় কোভিড মোকাবিলায় রাজ্যে জন্য সস্থির খবর বলা চলে l 

Continue Reading

বিশ্ব

ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে আক্রমণ ‘প্রয়াত’ তসলিমার

Published

on

By

তাঁর জীবন নিয়ে মানুষের কৌতুহলের অন্ত নেই। সেই কারণেই বারবার শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। তাঁর বিয়ে, স্বামী, অবৈধ সম্পর্ক, সন্তান নিয়ে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন দেশের সংবাদ মাধ্যমে। এবার তাঁকে শহিদ করে দিল বিশ্বের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। আলোচিত ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা ফেসবুকের বিশেষ কিছু নিয়ম রয়েছে। কোনও ব্যক্তি প্রয়াত হলে তাঁর অ্যাকাউন্টটিকে অচল করে না ফেসবুক। তবে সচল থাকলেও কোনও পোস্ট দেখা যায় না। বন্ধু বা অনুগামীদের জন্য স্মরণীয় করে রাখার ব্যবস্থা করে। প্রোফাইল খুললেই দেখা যায় ইংরেজিতে লেখা ‘রিমেমবারিং’। অর্থাৎ স্মরণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে সম্মান জানিয়ে একটি বাক্য লেখা থাকে।

লজ্জার লেখিকা তসলিমা নাসরিন ফসবুক প্রোফাইল খুললে তেমনই দেখা যাচ্ছে। ফেসবুক জানাচ্ছে যে প্রয়াত হয়েছেন তসলিমা নাসরিন। রিমেমবারিং করা হয়েছে তাঁর প্রোফাইল। সেই সঙ্গে তাঁকে সম্মান জানানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে তসলিমার বন্ধু এবং শুভান্যুধায়ীদের কাছে।

বলাই বাহুল্য যে তসলিমা নাসরিন বেঁচেই রয়েছেন। গত বছরে করোনায় আক্রান্ত হলেও এখন সুস্থ রয়েছেন। সুইডেনের নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লিতে বসবাস করছেন। ফেসবুকের বিষয়টি জানার পরেই বেজায় চটেছেন তসলিমা। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই মার্কিন সংস্থার প্রতি। অপর সোশ্যাল মিডিয়া টুইটারে তিনি লিখেছেন, “ফেসবুক আমায় মেরে ফেলেছে। আমি জীবিত রয়েছি। আমার কোনও অসুস্থতা নেই। আমি শয্যাশায়ী নই কিঙ্গা হাসপাতালেও ভর্তি নেই। কিন্তু ফেসবুক আমায় প্রয়াত দেখিয়ে স্মরণ করাচ্ছে।”

বইভিন্ন সময়ে নানাবিধ সামাজিক বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন তসলিমা। কলম ধরেছেন সমাজের চিরাচরিত রেওয়াজের বিরুদ্ধে। যার কারণে তাঁকে দেশ ছাড়া হতে হয়েছিল। তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হতেন একই কায়দায়। বিভিন্ন সময় তাঁর প্রোফাইল ব্লক করেছে ফেসবুক। কিন্তু এই ধরণের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। বিষয়টি দেখার পরে নেটিজেনদের বক্তব্য, “জীবিত মানুষের নামে মৃত্যু-সংবাদ প্রচারিত হলে নাকি তার আয়ু বেড়ে যায়! এক্ষেত্রেও তাই হবে।”

Continue Reading

ত্রিপুরা

কোভিড টিকাকরণের বর্ষপূর্তি : অরুন্ধুতীনগরে টিকাকরণ কেন্দ্র পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনাতেই দেশীয় প্রযুক্তিতে কোভিড টিকা প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর সুযােগ্য নেতৃত্বে এক বছর আগে আজকের দিনেই স্বদেশীয়ভাবে প্রস্তুত কোভিড টিকাকরণের সূচনা হয়েছিল। দেশের নাগরিকদের জীবনের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশব্যাপী বড় মাত্রায় টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। আজ অরুন্ধুতীনগর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোভিড টিকাকরণ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। অরুন্ধুতীনগর উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নীতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেখানে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে সেই স্থানটি আজ মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব পরিদর্শন করেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় ভারতের মতাে বিশাল জনসংখ্যার দেশে
অল্প সময়ের মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে কোভিড টিকা প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত বছর এই দিন থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী টিকাকরণ কর্মসূচি ইতিমধ্যেই প্রায় ১৫৭ কোটি ডােজ প্রদান করা হয়েছে। মােট কোভিড টিকার ডােজ গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ৭৬ কোটি ডােজ মহিলারা নিয়েছেন। জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি ও ইতিবাচক পদক্ষেপের ফলে মােট টিকার ডােজের মধ্যে ৯৯ কোটি কোভিড টিকার ডােজ গ্রামীণ এলাকায় দেওয়া হয়েছে। এরই ফলশ্রুতিতে নগর কেন্দ্রীকতার বদলে টিকাকরণের সুফল সমগ্র দেশব্যাপী বিকেন্দ্রীকরণ করা সম্ভব হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গতকালের তথ্যানুসারে, আগরতলা পুর নিগম এলাকায় সংক্রমণের হার ২৮.২৩ শতাংশ ও সমগ্র রাজ্যে গড় সংক্রমণের হার প্রায় ১৩ শতাংশ l এদিন মুখ্যমন্ত্রী বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে, আতঙ্কিত না হয়ে, যথার্থ স্বাস্থ্যবিধি ও অত্যাবশকীয় নীতি নির্দেশিকা প্রতিপালনের লক্ষ্যে সবার প্রতি আহ্বান রাখেন। তিনি বলেন, ভােটার তালিকা অনুসারে ত্রিপুরায় কোভিড টিকার প্রথম ডােজ ৯৯.৫৩ শতাংশ ও দ্বিতীয় ডােজ ৮২.৩৫ শতাংশ প্রদান করা হয়েছে। তার পাশাপাশি ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া রাজ্য সফলভাবে বাস্তবায়িত
হচ্ছে। যার গড় প্রায় ৪২ শতাংশ। এক্ষেত্রে আরও দ্রুততার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বয়সের ছেলেমেয়েদের
টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার বিকেন্দ্রীকরণে সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করছে। কোভিড টিকাকরণ কর্মসূচি
পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রতন চক্রবর্তী, সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়, বিধায়ক মিমি মজুমদার, বিধায়ক অরুণ চন্দ্র ভৌমিক, স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রধান সচিব জে কে সিনহা, পরিবার কল্যাণ ও রােগ প্রতিরােধক দপ্তরের অধিকর্তা ডা. রাধা দেববর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা ডা. সিদ্ধার্থ শিব জয়সওয়াল প্রমুখ।

Continue Reading

Trending