Connect with us

বিশ্ব

১০ বছরের মেয়ের সঙ্গে কিশোর ছেলের বিয়ে দিলেন শিক্ষিকা

Published

on

Early Marriage

ঢাকা: বাল্যবিবাহ রুখতে প্রচার চালানো হচ্ছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে। রাষ্ট্র সংঘের নানাবিধ শাখা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। স্কুল বা কলেজগুলিতেও বাল্যবিবাহ রুখতে পাঠ দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর খবর। নিজের কিশোর ছেলের বিয়ে দিলেন এক শিক্ষিকা। আর পাত্রীর বয়স মাত্র ১০ বছর।

ঘটনাটি বাংলাদেশের চুয়াডাঙা সদর উপ-জেলায়। বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা পাত্রের মা। ১৬ বছর বয়সী পাত্র দশম শ্রেণীর ছাত্র। আর ১০ বছর বয়সী বিয়ের পাত্র পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া। গোপনে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন ওই শিক্ষিকা। কিন্তু ছোটশলুয়া গ্রামের বিলপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে কিশোর আসার পরই বিষয়টি জানাজানি হয়।

ছোটশালুয়া গ্রামে দিনমজুরের কাজ করেন পাত্রীর বাবা। সেই দারিদ্রতার সুযোগ নিয়েই কিশোর ছেলের বিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। যদিও শিক্ষিকার সাফাই, অসুস্থ মায়ের ইচ্ছাপূরণের জন্য ধর্মীয় মতে কিশোর ছেলের বিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমার মা অত্যন্ত অসুস্থ। মা নাতবউয়ের মুখ দেখে যেতে চান। সেই ইচ্ছাপূরণের জন্যই কিশোর ছেলের বিয়ে দিয়েছেন। ধর্মীয় রীতি মেনে সেই বিয়ে হয়েছে। রেজিস্ট্রি হয়নি।”

তারইমধ্যে বাল্যবিবাহের অভিযোগ পেয়ে আসরে নামেন চুয়াডাঙা সদর উপ-জেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিম ভুঁইয়া। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। বাল্যবিবাহের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন শিক্ষিকা। তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙা সদর উপ-জেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। সঙ্গে রীতিমতো হতাশার সুরে জানিয়েছেন, যেখানে শিক্ষিকা হিসেবে বাল্যবিবাহ রুখে দেওয়া উচিত, সেখানে নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে ১৬ বছরের ছেলে এবং ১০ বছরের মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তদন্তের পর তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। এই ধরনের অপরাধ করে রেহাই পাওয়া যাবে না।

বিশ্ব

নয়া চালে বাজিমাত ইমরানের

Published

on

By

Imran

ইসলামাবাদ: শেষ মুহূর্তে মোক্ষম চাল দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শেষ বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতানোর মতোই টানটান উত্তেজনার মাঝে ধরে রাখলেন ক্ষমতা। আপাতত বাঁচিয়ে নিলেন নিজের প্রধানমন্ত্রীর কুরসি। তবে শীঘ্রই নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

রবিবার সকালে আস্থা ভোট হওয়ার কথা হিল পাকিস্তানের জাতীয় আইনসভায়। এদিন সকাল থেকে পাকিস্তানে একের পর এক নাটক চলছিল। এই আস্থাভোটকে কেন্দ্র করে সে দেশের একাধিক এলাকায় অশান্তি চলছিল। অশান্তির রুখতে ইসলামাবাদে জারি হয়েছিল ১৪৪ ধারা। শোনা গিয়েছিল, গ্রেপ্তার হতে পারেন ইমরান খান। এর মাঝেই বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ পাক সংসদে অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনের শুরুতেই নাটকের নতুন অঙ্ক রচিত হয়। দেখা যায় বিরোধীরা ইমরানের আগে সংসদের ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে। এর পরই ইমরানের বিরুদ্ধেও অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। সেই সময় সংসদে ইমরানের দলের মোটে ২২ জন প্রতিনিধি উপস্থিত। হাজির ছিলেন না ইমরানও।

পাকিস্তানের সংসদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন ডেপুটি স্পিকার মহম্মদ কাসিম খান সুরি। এই উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা সংবিধানের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার।

এরপরেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে সংসদ ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করবেন তিনি। একইসঙ্গে দ্রুত নির্বাচনের প্রস্তাবও দেন। অনাস্থা প্রস্তাব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র বলেও দাবি করেছেন ইমরান।

Continue Reading

বিশ্ব

সক্ষমতা নেই ইমরানের, দাবি প্রাক্তন স্ত্রী রেহামের

Published

on

By

Imran Reham

ইসলামাবাদ: খুব বড় কোনও অঘটন না ঘটলে রবিবারই ক্ষমতা হারাতে চলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারাচ্ছেন তিনি। তবে আস্থা ভোটে লড়াই করবেন। এই অবস্থায় কড়া ট্যুইট করলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রেহাম খান। তিনি টুইটে লিখেছেন ইমরানের সক্ষমতা নেই!

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ইমরান খান। ভাষণে তিনি বলেন, আল্লাহর কৃপায় আমার কিছুর প্রয়োজন নেই কারণ জীবনের সবকিছু- খ্যাতি, সম্পদ ইত্যাদি অর্জন করেছি। এরপর শুক্রবার ইমরান খানকে একহাত নিলেন তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রেহাম খান। রেহাম খান বলেন, ‘ইমরান দেশের যে জগাখিচুড়ি করেছেন তা পরিষ্কার করতে জনগণকে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার দিকে মনোনিবেশ করা উচিত।’

রেহাম খান বলেন, ‘ইমরান খানের যা নেই তা হলো বুদ্ধিমত্তা ও সক্ষমতা।’ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ইমরান খান বলেন, ছোটবেলায় তিনি পাকিস্তানকে শীর্ষে উঠতে দেখেছেন। এ কথার সঙ্গে একমত হয়ে রেহাম বলেন, আপনি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না তখন পাকিস্তান দুর্দান্ত ছিল।

Continue Reading

বিশ্ব

অনর্থ হয়ে যাবে, বিরোধী জোটকে হুমকি ইমরানের

Published

on

By

Imran

ইসলামাবাদ: ক্ষমতা হারানো প্রায় নিশ্চিত ইমরান খানের। তিনি সংখ্যা গরিষ্ঠতা দেখাতে পারবেন না, এমনই দাবি পাক সংবাদ মাধ্যমের। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বিরোধী জোটকে হুমকি দিলেন।

বৃহস্পতিবার পাক প্রধানত বলেছিলেন স্বাধীন বিদেশ নীতি অনুসরণ করার জন্য তাঁকে মূল্য চোকাতে হচ্ছে। শুক্রবার তিনি বলেন, যদি অনাস্থা প্রস্তাব সফল না হয় তাহলে ভয়াবহ পরিণতি হবে।

ইসলামাবাদে নিরাপত্তার ইস্যুতে ইমরান খান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় দাবি করেন, বিদেশি একটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার সরকার একটি ‘হুমকির চিঠি’ পেয়েছে। এসময় তিনি মুখ ফসকে এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই দাবি নিয়ে পাকিস্তানে শোরগোল পড়ে যায়। বিরোধী জোট ইস্যুটি নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করতে থাকে। ক্রমাগত আক্রমণে জর্জরিত ইমরান খান বলেন,তিনি এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য লড়ছেন। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পেছনে বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

আগামী পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একের পর বৈঠক করছেন। ইমরান খান বলেছেন, তিনি শেষ বল পর্যন্ত খেলবেন। তবে জোট সরকার থেকে শরিক দলের সরে যাওয়ায় তার প্রধানমন্ত্রী থাকার আর কোনও সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। রবিবার ৩ এপ্রিল ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। সেদিকেই এখন তাকিয়ে সবপক্ষ।

Continue Reading

Trending