Connect with us

উত্তর-পূর্ব

হাইলাকান্দিতে পাকড়াও ১২ জন জমি-দালাল, বিধায়ক নিজামঘনিষ্ঠ দু’জন ছাড়া পাওয়ায় ক্ষুব্ধ বিজেপি

Published

on

হাইলাকান্দি (অসম), ২১ সেপ্টেম্বর : যেমন কথা তেমনি কাজ। মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন, অসমে জমির দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে তাঁর সরকার। জমির দালালদের করায়ত্ত করতে রাজ্যজুড়ে চালানো হবে অভিযান। আর মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কড়া বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধড়পাকড় শুরু হয়েছে রাজ্যে। সোমবারের এক রাতেই ৪৫৩ জন জমির দালালকে পাকড়াও করতে সক্ষম হয়েছে অসম পুলিশ। যা রীতিমতো বড়সড় সাফল্য অসম পুলিশের। দীর্ঘ এই তালিকায় রয়েছে জেলা হাইলাকান্দিও।

হাইলাকান্দিতে অভিযান চালিয়ে ১২ জন জমির দালালকে পাকড়াও করেছে জেলা পুলিশ। জেলার চারটি রাজস্ব সার্কল থেকে একযোগে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় এদের। তবে ১২ জনের মধ্যে ৭ জনকে থানায় আটকে রেখে বাকি ৫ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এই পাঁচজনের মধ্যে দুজন আবার আলগাপুরের বিধায়ক এআইইউডিএফ নেতা নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর অতি ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। বিধায়ক তাঁর নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এই দুজনকে মুক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিন ১২ জন জমি-দালালদের মধ্যে যে সাতজনকে আটক করা হয়েছে তারা যথাক্রমে হাইলাকান্দি রাজস্ব সার্কলের পতিজুর রহমান বড়ভুইয়াঁ। বাড়ি হাইলাকান্দি থানাধীন বড়বন্দ প্রথম খণ্ডে। হাইলাকান্দি রাজস্ব সার্কলের আব্দুল হক তরফদার। বাড়ি হাইলাকান্দির নারায়ণপুর তৃতীয় খণ্ডে। কাটলিছড়া রাজস্ব সার্কলের নুরউদ্দিন লস্কর। বাড়ি রামনাথপুর থানাধীন পালইছড়া দ্বিতীয় খণ্ডে। লালা রাজস্ব সার্কলের মান্না কুমার পাল। বাড়ি লালা পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডে। আলগাপুর রাজস্ব সার্কলের ফিরোজ আহমেদ মজুমদার। বাড়ি আলগাপুর থানাধীন চণ্ডীপুর দ্বিতীয় খণ্ডে। আলগাপুর রাজস্ব সার্কলের ফকর উদ্দিন লস্কর। বাড়ি আলগাপুর থানাধীন মোহনপুর তৃতীয় খণ্ডে। ধৃতরা জেলার চারটি রাজস্ব সার্কলে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জমির দালালি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এদের সবাইকে হাইলাকান্দি সদর থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। বিকেলে আদালতে তোলা হয়েছিল।

এদিকে, আলগাপুরের বিধায়ক হাজি নিজাম উদ্দিন চৌধুরী দুই জমির দালালকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন বলে উঠেছে অভিযোগ। এই দুজন তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। তিনি পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এদের মুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ। যে দুজনকে ছেড়ে নিয়েছেন বিধায়ক নিজাম, তারা হলো সরফ উদ্দিন বড়ভুইয়াঁ ও আনোয়ার উদ্দিন লস্কর। বিধায়ক নিজাম উদ্দিনের ভাষায়, এরা জমির দালাল নন। তাঁর অভিযোগ, নির্দোষ লোকদের পুলিশ উঠিয়ে এনে অযথা হেনস্তা করেছে। এই দুজন জমির দালাল নয় বলেই পুলিশ এদের ছেড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন আলগাপুরের এআইইউডিএফ বিধায়ক।

তবে বিধায়ক নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর এই ভূমিকায় বেজায় চটেছে হাইলাকান্দি বিজেপি। দলের জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন ভট্টাচার্য আজ রাতে জানিয়েছেন, একজন জমির দালালকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। নিজাম উদ্দিন চৌধুরী তাঁর বিধায়ক পদের অমর্যাদা করে তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ দালালকে ছাড়িয়ে নিয়ে ঘোর অন্যায় করেছেন, বলেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি। তবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে যে দু’জনকে বিধায়ক ছাড়িয়ে নিয়েছেন এদের গ্রেফতার করা হবে আর এ জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে বলা হয়েছে। সভাপতি স্বপন ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, দালালের পরিচয় সে দালালই। ফলে বিধায়ক নিজামের ঘনিষ্ঠ জমির দালালরা রেয়াত পাবে না, দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি বিজেপি সভাপতি স্বপন ভট্টাচার্যের।

দলের যুব নেতা তথা হাইলিকান্দি শহর মণ্ডলের প্রাক্তন সভাপতি মানব চক্রবর্তী আরও একধাপ এগিয়ে বিধায়ক নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর এই ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন। অভিযোগের আঙুল বিধায়ক নিজামের দিকে তোলে তিনি বলেছেন, বিধায়ক নিজাম উদ্দিন জমির দালালদের পক্ষ নিয়ে মোটেই ভালো কাজ করেননি। বিধায়ক পদের অমর্যাদা করেছেন তিনি। ফলে তিনি তাঁর সাঁকরেদদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। তবে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ড‌‌. হিমন্তবিশ্ব শর্মার কানে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু দালালদের স্বপক্ষে রয়েছেন বিধায়ক নিজাম, তাই তাঁকেও গ্রেফতার করতে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন মানব চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী এখানকার বিজেপি-কে আশ্বস্ত করেছেন, জেলা সহ রাজ্যের একজন জমির দালালদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে পুলিশকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, বলেন বিজেপি নেতা মানব চক্রবর্তী।

এদিকে, এই খবর লেখা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে জমি-দালালদের ধড়পাকড় করতে জোরদার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। কম করে আরও ডজন-খানেক জমি দালাল পুলিশের জালে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। হাইলাকান্দি শহরের কয়েকজন প্রভাবশালী তথা ধনাঢ্য ব্যক্তিকে থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ, জানা গিয়েছে এক সূত্রে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি নয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উত্তর-পূর্ব

শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : শারদোৎসব উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা সমগ্র ত্রিপুরাবাসী সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজ্যপাল সত্যদেও নারাইন আর্য রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলি রাজ্যবাসীর সুখ ও শান্তিতে কাটবে বলে আশা প্রকাশ করে রাজ্যপাল বলেন, দুর্গাপূজা অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয় এবং আশা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই উৎসব ঐক্যের বাতাবরণকে আরও সমৃদ্ধ এবং সমস্ত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শক্তির দেবী মা দুর্গা ধর্মের পথে আমাদের নিয়ে যাবেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। কোভিড-১৯ অতিমারির পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে তিন সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এদিকে, শারদোৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুভেচ্ছাবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মতো এবছরও শারদোৎসব ভিন্নতর প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এবং টিকাদান প্রক্রিয়াকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলিকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা। ভিড় এড়িয়ে চলা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ইত্যাদি। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতাই উৎসবের দিনগুলি এবং তার পরবর্তী সময়কালকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারে ।

তিনি আরও বলেন, দেবী দশভূজা মা দুর্গার কাছে আমাদের প্রার্থনা উৎসবের আনন্দ যাতে সবার ঘরে ঘরে বিরাজ করে । রাজ্যের উন্নয়নে মায়ের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক। সকলের শারদ অবকাশ আনন্দময় ও সুস্থতায় পরিপূর্ণ হোক এবং উৎসবের দিনগুলি নিরাপদে শান্তিপূর্ণভাবে সবার সহযোগিতায় কাটুক সেই প্রার্থনাই জানাচ্ছি।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

অগ্রিম বাবদ ৫ হাজার টাকা করে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা

Published

on

By

আগরতলা, ৯ অক্টোবর : উত্সব অগ্রিম পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরা। অগ্রিম বাবদ তারা ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। আজকেই অর্থ দফতর আদেশ জারি করেছে।

এ-বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমি অত্যন্ত খুশির সহিত জানাচ্ছি যে রাজ্য সরকারের অন্যান্য কর্মচারীদের মতো অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা ও হোম গার্ডরাও এবছরের উৎসব এডভান্স রূপে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এর ফলে নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন রাজ্যের বহু কর্মচারী।

ইতিপূর্বে সমস্ত সরকারী কর্মী ও ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উত্সব অগ্রিম বাবদ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ত্রিপুরা সরকার। ইতিমধ্যে তাঁরা সেই অর্থ পেয়ে গেছেন। মূলত, বাজারে তেজি আনার লক্ষ্যেই ত্রিপুরা সরকার উত্সব অগ্রিমের হার বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রী জিষ্ণু দেব্বর্মা। এখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়িকা এবং হোম গার্ডরাও উত্সব অগ্রিম পাবেন।

ডিবিটি-র মাধ্যমে সেই অর্থ তাঁদের ব্যাঙ্ক একাউন্ট-এ ঢুকে যাবে। তাতে, পূজার আনন্দে তাঁরাও সামিল হতে পারবেন। দুর্গোত্সবের মুহুর্তে ওই অগ্রিম অর্থ অনেকের চাহিদা পূরণে দারুন সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Continue Reading

উত্তর-পূর্ব

বিজেপির কার্যনির্বাহী কমিটিতে ত্রিপুরা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক ও মুখ্যমন্ত্রী সহ রয়েছেন ৫ জন

Published

on

By

আগরতলা, ৭ অক্টোবর: বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। ত্রিপুরা থেকে পাঁচ জন ওই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। ৮০ সদশ্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ত্রিপুরা থেকে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়া রয়েছেন পূর্ব ত্রিপুরা সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ৮০ সদস্যক জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। কমিটিতে প্রবীণ নেতা লাল কৃষ্ণ আদবানি, ড. মুরলী মনোহর জোশী, প্রাক্তন সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অমিত শাহ এবং নীতিন গদকরি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল রয়েছেন।

ওই কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৫০ জন বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং ১৭৯ জন স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য রয়েছেন। তাতে পদাধিকারবলে আছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী, জাতীয় মুখপাত্র, বিভিন্ন মোর্চার জাতীয় সভাপতি, রাজ্য প্রভারী ও সহ প্রভারী, বিভিন্ন প্রদেশ সভাপতি, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠকগণ।

৮০ জনের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এবং বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে স্থান পেয়েছেন। পদাধিকারবলে ত্র্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কমিটিতে রয়েছেন। এছাড়া পূর্বোত্তর থেকে অসম, মণিপুর এবং অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীগণ রয়েছেন। এছাড়া, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি ডা: মানিক সাহা এবং রাজ্য প্রভারী সাংসদ বিনোদ সোনকর স্থায়ী সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।

Continue Reading

Trending